ভাই ৭০ ডলার দিয়ে লং ট্রেড নিয়েছিলাম পরে দেখি ০ হয়ে রইছে, ৭০ ডলার মারা আরকী। আমি এটা খুব বেশি বুঝি না, কিন্তু লোভে পরেছিলাম এবং ভাব লইয়া লাভ করতে চেয়েছিলাম তাও উচ্চ লিভারেজ ৩০× দিয়েছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি লিকুইডেশন হয়ে গেছে। অর্ডার টা কাটতে ভুলে গিয়েছিলাম, দীর্ঘক্ষন রেখেই বেশি করে লোকসান হয়েছিলো।
আমি কয়েকবার লাভও করেছিলাম, ৮০ ডলার দিয়ে ট্রেড নিয়ে ১৩২ ডলার বানিয়েছিলাম। কিন্তু এভাবে লোভ কাজ করেছে, আর মারা খাইলাম। তাই আপাতত সাবধান হয়েছি, এখন থেকে তওবা পড়লাম আর জীবনে ফিউচার ট্রেডিং এর কথা মাথায় আনবো না।
ইমনিতেই হারামে জর্জরিত আমরা আর আপনি আবার ফিউচার করতে গেছেন মিয়া! ফিউচার ট্রেড করা আর জুয়া খেলার মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। ফিউচার করে অনেকের লাইফ নষ্ট হইছে , সো ছোট্ট করে একটাই কথা বলবো, দরকার পড়লে জুয়া খেলেন বাট ফিউচার করিয়েন না (কোন ইঙ্গিতে কথাটা বলছি একটু বুঝে নিয়েন)।
কোট
ভাই আমরা কেউই এখানে ছোট বাচ্চা না। ভালো-মন্দ, ইথিকাল-আনইথিকাল সবই বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা আছে আমাদের। আমরা জেনে শুনেই এসবে নিজেকে জড়ায়ে রাখছি। হয়তো অনেকে চাইনা এসবে থাকতে বাট ছাড়তেও পারিনা, কারন অনেকের জন্য রুজিরুটির বিষয়ও এটা। তো সব মিলায়ে গভীরে গেলাম না আর। আমি জাস্ট এতটুকু জানি, আল্লাহ ক্ষমাশীল, আর বান্দা যদি মনপ্রান দিয়ে অনুতপ্ত হয়, তাহলে নিশ্চয় তাকে ক্ষমা করা হবে।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউনইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় শাহাদত বরণ করেছেন। এটি মুসলিম উম্মাহর জন্য বেদনাদায় নিউজ, যিনি সব সময় পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিলেনে, তিনি মাথা নত করার নেতা ছিলেন না। মুসলিম বিশ্ব তার মতো একজন নেতাকে হারালো। খামেনি সব সময় ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন, কিন্তু তার মৃত্যুতে ফিলিস্তিনির পক্ষে শক্তভাবে কথা বলার লোক হারিয়ে গেলো। ইসরাইলের পক্ষ হয়ে আমেরিকা লড়ছে, কিন্তু পুরো মুসলিম বিশ্বের কোন দেশ ইরানের পক্ষে দাঁড়ালো না? তারা শিয়া হতে পারে কিন্তু এক আল্লাহর ইবাদত করে তো। তাহলে এখানেই পরিষ্কার যে আমেরিকা এরপর অন্যান্য মুসলিম দেশের উপর হামলা করলেও এতে অন্য কোন মুসলিম দেশ জোট বেঁধে এগিয়ে আসবে না। RIP

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
কারেকশন: মুসলিম বিশ্ব না ভাই, আমেরিকান দালাল বল্লেই পারতেন। এরা পারে শুধু ট্রামপের পা চাটতে। এগুলো সব মুসলিম নামধারী মুনাফিক।
দোয়া করেন ইরান যেনো কোনো ভাবে পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে পারে। এই একটা জিনিসই পারে মিডিল ইস্ট কে স্টেবেলাইজ করার জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত না এটা হয় ততক্ষন ট্রাম্প তার মনমানি চালাবে। ওয়েপন অফ ম্যাস ডিসট্রাকশন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি এসব ভুংসাং রিজন দেখায়ে ইন্টারন্যাশনাল ল এর উপর হেগে দিয়ে এসব কান্ট্রি গুলো ইনভেড করবে। এটাই রিয়েলিটি।