আর বইলো না আমি আমার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম ঈদের নামাজ পড়তে যদিও আমার বাসার কাছে ঈদগা মাঠে সকাল আটটার মধ্যেই নামাজ শেষ হয়ে যায়।
কিন্তু আমার গ্রামে ঈদগাহ মাঠে নামাজ বলা হয় সাড়ে নয়টায় এবং শুরু করা হয় দশটায়। আর ঠিক নয়টা থেকে ঘুরি ঘুরি বৃষ্টি এবং সাড়ে নটা থেকে একদম মুষলধারে বৃষ্টি বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে পরবর্তীতে দশটায় নামাজ পড়েছি। কিন্তু আল্লার রহমতে জ্বর আসেনি ঠান্ডা লাগা ভাব হয়েছে।
আর হ্যাঁ প্রায় সারাদিনই এরকমই ছিল গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি কখনো কখনো থেমেছে আবার কিছুক্ষণ পর আবার পড়েছে।
লল, ভিজে ভিজে মিনস্ টোটালি ভিজে ভিজে?
আমাদের এখানে আগের দিন থেকেই হালকা খারাপ ওয়েদার ছিলো। এজন্য সকাল বেলাই ময়দানে ত্রেপল দিয়ে দেয়। যদিও মসজিদে পড়ছি নামায, তবে তোমাদের মতো ঐ লেভেলের বৃষ্টিবিলাশ করি নি। আমাদের এদিকে আমাদের মসজিদে আবার এক রেওয়াজ আছে, নামায শেষে সবাই কে খাওয়ানো হয়, ডাল ভাত আলুর একটা রেসিপি যাকে আলু বলে, আর গরুর ভুনা। সেই টেস্ট। সো সেটা ফিসিস করে বাসায় লুটিয়ে পড়ছি। ঐদিন আর কোথাও যাওয়া হয়নি বাজে ওয়েদারের জন্য। আজ যদিও গেছিলাম, ফকফকা ওয়েদার ছিলো, নরম রোদ পড়ছিলো, তাই গেছিলাম ব্রিজের নিচে লল! হ ভাই ব্রিজের নিচে, হাস্যকর। তো এই টোটাল সামারি!


আসলে ভাই বৃষ্টি আল্লাহর একটি নেয়ামত, আল্লাহ খুশি হলে বৃষ্টি বর্ষণ করে। তাই আমাদের শুকরিয়া আদায় করা উচিত। ঈদের দিন সম্ভবত সারাদেশেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ছিল। ছেলেবেলা থেকেই দেখে আসছি প্রায় রোজার ঈদে বৃষ্টি হয়। আমি ছাতা নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু হালকা বৃষ্টি ছিলো তাই এতটা প্রয়োজন হয় নাই।
তাইলে মিয়া আপনের তো বাড়িতে খাওয়ার প্রয়োজন হয় নাই, মসজিদেই সেরে ফেলছেন। আচ্ছা যদি ঈদের নামাজ মসজিদে না পড়ে, ঈদগাহ ময়দানে পড়তেন তবুও কি খাবারের আয়োজন হতো? নাকি যে বছর শুধু মসজিদে নামাজ আদায় হয় সেবছর খাবার দেয়? আর আপনাদের ওখানে অল্প লোকজন হয় নাকী, আনুমানিক কত হবে? যাই হোক, আমাদের এখানে ঐরকম ব্যবস্থা করা হয় না, অনেক লোক হয় এত লোকের আয়োজন করাও সম্ভব নয়।