এর জন্য আপনি সরাসরি বিএনপি কে দোষ দিতে পারেন না। দোষ আপনার এবং আমার। আমরা জেনে শুনে ভোট দিবো চাঁদাবাজকে, আবার চাঁদাবাজি হলে বলবো কেনো হচ্ছে, সেটা তো মানা যায় না ভাই। যেই জাতি তেমন, তাকে শাসন এবং শোষণ করার জন্য সেইরকম নেতা লাগে। হাই কমান্ড থেকে যদিও চাঁদা তুলতে বলে না। কিন্তু হাই কমান্ড খোঁজে টাকা। এখন সেই টাকা আপনি কিভাবে যোগাড় করবেন, সেটা আপনার ব্যাপার। সেটা হতে পারে চাঁদাবাজি করে, সেটা হতে পারে ছিনতাই বা অন্য কিছু। এখানে আসলে ওরা দলের ক্ষমতার সুযোগে একটা সহজ কর্মসংস্থান বানিয়ে নিয়েছে শুধু, এর বাইরে কিছু না।
জামায়াত কে মানুষ বলে রাজাকার, ধর্ম ব্যাবসায়ী। এজন্য তাদেরকে ভোট দেয় না। আজকের দিনের কোন জামায়াত নেতা সেই সময়ে রাজাকার হওয়ার মতো বয়স হয়েছিলো কি না, আমার ধারনা নেই। তবে কিছু লোক আছে যারা ধর্ম কে আসলেই হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করে। যেমন কিছু কিছু নেতা বলে ভোট দিলেই জান্নাত। তবে এরা কোন উচ্চ লেভেলের নেতা না। এগুলো ডিটেক্ট হলেই জামায়াত তাদের সাসপেন্ড করে আসছে। কিন্তু যারা সারা বছর নামাজ পড়ে না, কিন্তু নির্বাচনের সময় মাথায় টুপি দিয়ে ঘোরে, তাদেরকে কি বলবেন?
মেডিসিন নেন নিয়মিত। ৩ দিনের ভেতরে কন্ট্রোল না হলে অবশ্যই ব্লাড টেস্ট করেন।
আপনার কথায় লজিক আছে। সবই একটা চেইন অফ কমান্ডের অন্তভুক্ত।
কথাগুলো বলতে খারাপই লাগে বাট আমি অলরেডি স্বচোঁখে এগুলো দেখতেছি। আমার এক চাচা আছে বিএনপি করে, এতোদিন মাইর খাইছে, ঢাকায় গিয়ে অন্যের ফলের দোকানে কাজ করছে, জমি বন্দক রাখছে, কিছু আবার আমাদের কাছে বিক্রি করছে, সবই টাকার অভাবে। আর এখন, জুলাই বিপ্লবের পর তার দাপটই আলাদা। চাকরিবাকরি কিছু করে না এখন, তবুও বিন্দাস ফ্যামিলি মেইনটেন করতেছে। কিভাবে করতেছে বুঝছেনই হয়তো। প্রতিদিন দেখি মোটরসাইকেল করে এখানে যায় ওখানে যায়। অনেকেই সহ্য করতে পারে না তারে আর, পেছনে পেছনে অনেক গিবত করে। দেখা যাক এ সরকার আসলেই এসব অন্যায় প্রতিরোধ করতে পারে কিনা। নাকি এটাও ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়। তবে একটা জিনিস আমি খেয়াল করছি, মানুষ এখন আর আগের মতো ঐভাবে চুপ থাকেনা, বিশেষ করে GenZ, এরা আওয়াজ সবসময় আওয়াজ তোলে এমন চাঁদাবাজি দেখলে। জাস্ট টেক আউট ইউর ফোন এন্ড স্টাট এ ফেসবুক লাইভ।
ওষুধ খাইতেছি রেগুলার। বুকে কফ জমে গেছে। নিশ্বাস নিলে ঘ্যারঘ্যার আওয়ার শুনতে পাচ্ছি। হলুদে সবুজ জেলির মতো। এগুলো বের করার ট্রাই করতেছি। আজকে সারাদিন কোম্বল মুড়ি দিয়ে বিছানায় ডান বাম করছি, সন্ধার পর একটু ভালো লাগতেছিলো। দেখা যাক সকালের মধ্যে ঠিক হয় কিনা। সমস্যা হলো কিছু খাইতে পারতেছিনা, মা এসে বললো চোঁখ মুখ নাকি ফুলে গেছে আমার।
সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।
DS ভাইয়ের জন্য দুয়া করি, আল্লাহ যেন এই রমজানের উসিলায় আপনাকে রোগ থেকে সেবা দান করেন। ফি আমানিল্লাহ।
ধন্যবাদ ভাই।
সবাইকে Ramadan Mubarak 🌙