আচ্ছা সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর মাথায় সমস্যা নাকী চাঁদা নেওয়া বৈধ করে দিচ্ছে। এই মুর্খরে মন্ত্রী পদ দিয়েছে কে? সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয় এর মানে কী? আরও বলেন মসজিদে টাকা নেয় সেটাও নাকি চাঁদার মধ্যে পড়ে। মসজিদে টাকা দান করা আর সড়কে টাকা নেওয়াকে তিনি একই ভাবেন, লল। এই যদি হয় মন্ত্রীর বক্তব্য, তাহলে কর্মীরা কি করতে পারে? এরা দেশটাকে জাহান্নামে পরিনত করে ছাড়বে।
ক্রিপ্টো মার্কেটের কি অবস্থা, কোনদিকে যাচ্ছে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। বিটকয়েনের দাম (৬০k-৭০k মধ্যে ঘোরাঘুরি করতেছে। এদিকে আমারে শয়তানে লাড়া দিয়েছিলো, তাই ফিউচার নামক জুয়ায় ট্রেড নিয়েছিলাম, কিন্তু ভালোই মারা খেয়ে বসলাম। আহা কি শান্তি লল।
চাঁদাখোরদের কাছ থেকে কি ই বা আশা করেন ভাই? যে যেমন তার চিন্তাভাবনা তেমন। ১৭ বছর ধরে রোজা রাখছে, এখন কি তাদের ইফতারও করতে দিবেন না? হোক সেটা সমঝোতার মাধ্যমে, লল। মাথামোটা আহাম্মকের দল সব। কোনটা চাঁদা, কোনটা চাপায়ে দেয়া বা বাধ্য করা, কোনটা রোড ট্যাক্স এসবের ডেফিনেশনই জানে না হালায়। আবার আসছে সড়ক মন্ত্রী হতে। দিনশেষে এসব অবৈধ লেনদেনের জন্য পকেট মার যায় সাধারণ জনগণের। প্রতিটা রুটে চাঁদাবাজি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম তো বাড়বেই। যে চাঁদার টাকা দিতে হচ্ছে, সেটা কোনো না কোনো দিক দিয়ে তো উঠাতে হবে।
কত মারা খাইলেন? জীবনের সবথেকে বড় ভুল বিএনপির ক্ষমতা আসা, আর দ্বিতীয়ত ফিউচার ট্রেড করা।