একসময় কার্ডিং, ক্রাকিং এর সাথে যুক্ত ছিলাম। হাজার হাজার একাউন্ট গিভওয়ে ও করছি টেলিগ্রামে, বাট এখন আর সময় হয়না।
আপনি মূলত এসব ক্রাকর্ড কার্ড দিয়ে কি করতে চান সেটা বলেন। এগুলে ইউজ করা হাই রিস্কি, আর এগুলো শুধু সাবক্রিবশনে ব্যবহার করা যাবে। উদাহরণস্বরূপ, আমার windoes ডিজিটাল OME Key দ্বারা এক্টিভ করা। Key টা মূলত কার্ডিং করা কার্ড দিয়ে পারচেজ করা হইছিলো। কয়েক বছর ধরে ইউজ করতেছি এই কি, এখনো রিভক হয়নি।
ভাই কার্ড আসলে আমার দরকার নাই দরকার আমার এক ক্লোজ ভাতিজার। আমারে গতো কয়েকমাস ধরে জ্বালাচ্ছে। অয় মূলত গেইমস এর কি যেনো কিনে সেল করবে। তার সাথের একজন এইভাবে কার্ড কিনে এইগুলা করে।
ভাই ট্রাস্টেড বলতে এগুলা হচ্ছে হ্যাক করা কার্ড তো আপনি যে জায়গায় ব্যবহার করবেন সেখানে অবশ্যই কেয়ারফুলি ব্যবহার করা উচিত। আপনার সেই জায়গা যদি হয় বৈধ আর গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তাহলে কিন্তু সমস্যা হতে পারে কারণ যে ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা কাটবে হয়তো বা অনেকে এটা নিয়া কোন ধরনের অ্যাকশন নিব না কিন্তু হতে পারে এমন কোন ব্যক্তির কার্ড পাইছেন যে ১ ডলারের জন্য ১০০০ ডলার খরচ করতে রাজি তারপরেও তার কার্ড থেকে কে টাকা চুরি করেছে এটা বের করবে। তাই এইগুলার থেকে দূরে থাকাই ভালো
এই কার্ডগুলোতে মূলত যারা ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে যেমন বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সাবস্ক্রিপশন অথবা কোন সফটওয়্যার এর লাইসেন্স এই গুলোর জন্য ব্যবহার করি টেম্পোরারি কোন মেইলে সাবস্ক্রিপশন নিয়ে এগুলা কম দামে আবার বিক্রি করে। আমার এক বন্ধু কিছুদিন করছে শুনছিলাম যে ৭ দিনে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন বেইচ্চা কামাই করছিল। তবে সেখানে রিস্ক দেখেই এমন এমন ভালো টাকা পাওয়া সত্ত্বেও ওই জায়গা থেইকা সইরা আসছে। তাই এই সব বিষয়ে সাবধান থাকবেন। কারণ ফাইনান্সিয়াল বিষয় গুলা নিয়ে কোন সময় অবহেলা করা ঠিক না
ভাই ট্রাস্টেড বলতে বুঝাইছি এমন কোনো সোর্স আছে কিনা যেখান থেকে এই কার্ড কিনলে আসলেই কার্ড দিবে। কিছুদিন আগে ১৮০$ একজন কে সে দিছিলো পরে আর কার্ড দেয় নি। হ্যাঁক করা কার্ড আমিও জানি। আমার একটা বন্ধু ছিলো ঢাকার। সে কার্ডিং করতো আর সেগুলা আমারে দিতো আমি 1and1 Ionos কোম্পানি থেকে মিনিমাম ৫০ লাখ টাকার ডোমেইন কিনে সেল করছি তার দেওয়া কার্ড দিয়ে ২০১৬-২০১৮ সালের মধ্যে। আমার বন্ধু মারা গেছে ব্লাড ক্যান্সারে। সবাই তার জন্য দোয়া কইরেন।