আপনার যদি ঐরকম কোন মাধ্যম থাকে যেখানে একবারে ৫-১০ হাজার ডলার ট্রানজেকশন করতে পারবেন তাইলে আমি যোগাযোগ করে দেখতে পারি এখনো অ্যাভেলেবল আছে কিনা। আমারে প্রায় ৮-৯ মাস আগে বলছিল।
ভাই ৫-১০ হাজার ডলার? আপরি কি ভুলে টাকার যায়গায় ডলার লিখছেন নাকি আসলেই ডলার মিন করছেন? এতো টাকা ইনভেস্টমেন্ট করার ক্ষমতা কার আছে ভাই। ক্ষমতাও পরের বিষয়, সাহসেরও একটা কথা আছে। এতোগুলো টাকা তাও আবার অনলাইন বেইজ কাজ। কতটুকু ট্রাস্টেট, কেমন কি রিস্ক, সার্ভিস, সব মিলায়ে খুবই একটা উত্তেজণা টাইম সিচুয়েশন।
আরে টাকা না ডলার, যে সোর্স থেকে সেই কার্ডগুলো আসতো তারা ইনফর্মেশন দিতো যে সেই কার্ডে কি পরিমাণে টাকা আছে। মানে কার্ডগুলো তে অনেক বড় অংকের টাকা থাকে। সেখান থেকে ৫০-১০০ ডলার নিয়ে কোনো লাভ আছে ? কয়েকটা কার্ড চেক করে দেখা হয়েছিল কার্ডগুলো কাজ করে। তবে ১ টা ২ টা ট্রানজেকশন করলেই কার্ডের মালিক কার্ড বন্ধ করে দেন CVV চেঞ্জ করে ফেলে। তাই এগুলো আসলে সময় নিয়া করা যাবে না যদিও কাডিং করা নিয়া আমার তেমন অভিজ্ঞতা নাই। কিন্তু যে করতো তার সাথে এক রুমে দীর্ঘদিন ছিলাম আমি ঢাকা তে। আমার রুমমেট ছিলো।
আমি যতদুর জানি , যেহেতু ২১ মিলিয়ন মাইন করা শেষ হয়ে গেলে নতুন বিটকয়েন তৈরি হবে না, তাই মাইনাররা ব্লক রিওয়ার্ড পাবে না। যেমন আপনি বলেছেন, আসলে ট্রানজেকশন ফি মাইনারদের এক মাত্র আয়ের উৎস হবে। যেহেতু ১১৪ বছর পর বিটকয়েনের দাম অনেক বেড়ে যাবে, মেবি কয়েক মিলিয়ন ডলার হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১-৪% মানুষ বিটকয়েন সম্পর্কে জানে বা এর মধ্যেই কিন্তু বিনিয়োগ করেছে, যখন এটি বৃদ্ধি পাবে এবং বিটকয়েনের চাহিদা বেড়ে যাবে এবং ট্রানজেকশন ভলিউম বেড়ে যাবে যার ফলে ফি বেশি দিয়ে লেনদেন করার প্রয়োজন হতে পারে, এভাবেই ট্রানজেকশন ফি থেকেই একভাবে তাদের খরচ উঠে প্রফিট নিতে পারবে।
আমিও তো সেটাই জানি যে ব্লক রিওয়ার্ড তারা আর পাবে না। এবং আমার ধারনা এটাই যে ট্রানজেকশন ফি থেকেই মাইনার রা রিওয়ার্ড পাবে। আমার আসল প্রশ্ন ছিলো এই ট্রানজেকশন ফি তাদের জন্য যথেষ্ট হবে কি না। ধরেন আমি ১৫০০ সাতোশি খরচ করলাম, যেটা এখন ১ ডলারের মতো। সেটা ধরেন তখন ১০ ডলার বা ২০ ডলার হবে। এতে করে হয়তো মাইনারদের প্রফিট আসতেও পারে, কিন্তু তখন কি মানুষ ২০ ডলার খরচ করে একটা লেনদেন করবে? ধারনা করতে পারেন যে আপনাকে ২০ ডলার সেন্ড করার জন্য আরও ২০ ডলার খরচ করতে হবে? এরকম হলে তো বিটকয়েন শুধু এলিট শ্রেণীর লোকজন ব্যাবহার করবে।
বিটকয়েনের ট্রানজেকশন ফি নির্ভর করে নেটওয়ার্কের ট্র্যাফিক এর উপর আর এটা চার্জ করা হয় সাতোশিতে। এখন বিটকয়েনের দাম কম তাই প্রতিটা সাতোশি এর দামও কম আর যখন বিটকয়েনের দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার হবে তখন অটোমেটিকলি ট্রানজেকশন ফি ডলার এর সাপেক্ষে অনেক বারবো আর সেই সময় আসলে গরিবদের জন্যে বিটকয়েন ইনভেস্টমেন্ট এর ক্ষমতা থাকবো না আর ইনভেস্টমেন্ট করলে CEX এ রাখতে হবো পার্সোনাল ওয়ালেট ব্যবহার এর এভিলিটি থাকবো না। সেই সময় দেখবেন প্রত্যেকটা দেশের সরকার বিটকয়েনের লেনদেনগুলো সূক্ষ্মভাবে অডিট করতে পারবো আর ঠিক মতো ট্যাক্স আদায় করতে পারবো। মানে বিটকয়েনের সেন্ট্রালাইজড এ রূপ নিবে।