আসসালামু ওয়ালাইকুম। আশা করি ভালো আছেন সবাই। বেশি অহেতুক কথা বলবো না, এতটুকুই বলতে চাই সবাই আমার মার জন্য দোয়া করবেন। তিনি ফুসফুস জনিত সমস্যায় ভুগতেছেন অনেক দিন ধরে। অবস্খা তেমন ভালো না। আমি নিজে কি করে বসবো বুৃঝতেছিনা।

।
তাইলে মিয়া আপনের তো বাড়িতে খাওয়ার প্রয়োজন হয় নাই, মসজিদেই সেরে ফেলছেন। আচ্ছা যদি ঈদের নামাজ মসজিদে না পড়ে, ঈদগাহ ময়দানে পড়তেন তবুও কি খাবারের আয়োজন হতো? নাকি যে বছর শুধু মসজিদে নামাজ আদায় হয় সেবছর খাবার দেয়? আর আপনাদের ওখানে অল্প লোকজন হয় নাকী, আনুমানিক কত হবে? যাই হোক, আমাদের এখানে ঐরকম ব্যবস্থা করা হয় না, অনেক লোক হয় এত লোকের আয়োজন করাও সম্ভব নয়।
প্রতিটা ঈদেই এটা করা হয় ভাই। আমরা সবাই মিলে এই আয়োজন করি। কোথায় আদায় হলো এটা ম্যাটার না। মুসল্লিদের যেনো ঈদের দিন দুইচারটা ডাল ভাত খাইয়ে গুনাহ মাফ করাতে পারি এই এক উদ্দেশ্য। আর মসজিদ ময়দান দুইটাই পাশাপাশি থাকে গ্রাম সাইড এলাকায়। এটা তো আর শহর না যে দুইটা দুই সাইঠে রইবে। লোক ভালোই হয় বলতে গেলে। ঐ ধরেন ৭-৮ কাতার এর মতো।
আর তোমার ভাই খাইয়া দাইয়া কাম নাই খাইছো আবার এই লোভনীয় খাবারের ছবি এইখানে দিছো আমার তো এখন খাইতে ইচ্ছা করতেছে এটা তো বাসায় হয় না যতই বলি চল্লিশা এবং এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলোতেই এরকম স্বাদ পাওয়া যায়। যদিও আজকে আমার একটা বিয়ের দাওয়াত আছে তারপরও তোমার এইটা দেখে কষ্ট লাগতাছে আমি আসলে বিয়ের দাওয়াতের থেকে এই ধরনের গরুর মাংস ভাত আর ডালের দাওয়াত গুলোকে বেশি পছন্দ করি।
হ্যাঁ অনেকটা চল্লিশা টাইপেরই খাওন এটা। চল্লিশাতেও এটাই করে আমাদের দিকে।
আমার ৩ বেলায় ৬ বেলাই দাওয়াত। আজ দুপুরে রাতে ২জায়গায় ছিলো। কাল আবার দুই জায়গায় আছে। তবে কোথাও যাইনি।