তবে আমি মাঝে মাঝে চিন্তা করি, তার ওয়ালেটে এখন মোট ১ মিলিয়ন বিটকয়েন এখনো অক্ষত পড়ে আছে, কিন্তু কোনদিনও যদি এই ওয়ালেট থেকে এক সেন্টও লেনদেন হয়, তাইলে কি বিটকয়েনের দাম একদম কমে যাবে ? কারণ আমি কোথায় যেন দেখছিলাম একজন বলছিল যে সাতোশির ওয়ালের থেকে যদি সেন্টও কোনো সময় লেনদেন হয়, এক তাহলে নাকি বিটকয়েন একদম নিচে নেমে আসবে.
সাময়িক সময়ের জন্য institutional বিনিয়োগকারীরা মার্কেট manipulation করে নিজেরা ক্রয় করে নিবে এবং যখন দেখবে যে, সাধারণ ব্যবহারকারীরা একটু শান্ত হয়েছে তখন নিজেদের ক্রয় করার বিষয়টা ঘোষণা করে মার্কেট বৃদ্ধির চেষ্টা করে। আর বড় বড় কোম্পানিগুলো যারা এতদিন বিটকয়েন ক্রয় করেছে, তারা টুইট করবে যে, আমরা এখন বিটকয়েন বিক্রি করতেছি নাহ। এতে ক্রিপ্টো ব্যবহারকারীরা bearish থেকে আবার bullish হইতে থাকবে। আমার মতে এমনটাই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী।

প্রথম দশজন পোস্টদাতা
3. Review Master [15]
খারাপ নাহ, সেরা ৩ এ রয়েছে কম সময় দেওয়ার পরও। আশা করি সামনের দিনগুলোতে আরো বেশি সময় দিতে পারবো।

বাহ দেখে ভালো লাগলো যে এখনো কেউ হট কয়েন নিয়ে আলোচনা করছে। এটা বাদ দিয়ে দিয়েছি প্রায় এক বছর হতে চলল। এটার উপরে ভাইয়ার কোন ভরসা নাই। তারা যে ব্লক চেইন সিলেক্ট করেছে তাদের লঞ্চ হিসেবে Near কে এটার এখন খুবই বাজে অবস্থা। যদিও Near বর্তমানে এ আই প্লাটফরমের অ্যাডোবসনের জন্য মনে হচ্ছে যে ফিউচারে অনেক ভালো করবে। তারা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে যদি কোন ভুলভাল হয় সবার আগে এটা দোষ দিবে অবশ্যই। কিন্তু খারাপ লাগছে তাদের জন্য যারা নেয়ার মাইনিং করছে এক বছর যাবৎ ভেবে দেখেছেন এক বছর যাবত মাইনিং করছে কিন্তু এখনো কিছুই পাচ্ছে না।
এমন আলোচনা চাইলেই আমরা প্রতিদিনই করতে পারি, কিন্তু যখনই অন্যজন একটু ভিন্নমত পোষণ করে তখন বাকিরা আর আগ্রহ দেখায় নাহ। সকলে যদি ভিন্ন মতামতকে Constructive Criticism এর মতো নিতে পারে, তাহলে নিত্যদিন অনেক ভালো বিষয় আলোচনা করা যাবে এবং সকলে অনেক কিছু জানতে পারবে একে অপরের থেকে।
যাইহোক আপনার মতো অনেকেই আছে Near কে AI এর মার্কেটে ভালো করবে বলে মনে করতেছে, কেননা তারা AI এর narrative যখন ভালোই ছিলো মার্কেটে তখন নিজেদেরকে Blockahin For AI বলে ঘোষণা দিয়েছিলো। কিন্ত বাস্তবে তারা শুধু বাঙালির মতো trend এ গা ভাসায় এবং এর বেশি কিছু নাহ। বাস্তব উদাহরণ তাদের টুইটারের পোষ্টগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন, যেমন এখন privacy ভিত্তিক trend চলেতেছে এবং তাদের সকল পোষ্ট শুধু এখন এটিকে ভিত্তি করে। আর আগে যখন AI Agents নিয়ে ট্রেন্ড ছিল, তখন ওসব নিয়েই পোষ্ট করতো। তাই NEAR এ বিনিয়োগ করতে চাইলে একটু দেখে শুনে করিয়েন সবাই। কেননা বিটকয়েনের দরপতন হইলে তো Near এরও দরপতন হবে, কিন্তু বুদ্ধি খাটিয়ে বিনিয়োগ করলে হয়তোবা কম সময়ের ক্ষেত্রে লাভ করতে পারেন।
আমার মতে, Base চেইন AI কিংবা AI agents এর জন্য বেশি জনপ্রিয় এবং তাদের ecosystem ও বিশাল এবং অন্যান্য L1/L2 চেইন এমনটা এখন পর্যন্ত করেছে বলে আমার মনে হয় নাহ। বাকি আপনাদের মতামত জানায়েন যে, অন্য কোনো চেইন কি AI নিয়ে এমন ecosystem করেছে কি নাহ।

মার্কেটের কী অবস্থা, ভেবেছিলাম নবেম্বরে ভালো কিছু দেখতে পাবো। কিন্তু বিটকয়েনের দাম শুধু নিচের দিকে যাচ্ছে, মেবি আজ কালের মধ্যে ১০০k. নিচে নেমে যেতে পারে। বার বার ভাবি অল্টকয়েন কিনবো না কিন্তু বার বার একই ভুল করে ফেলি আবারও লসের সম্মুখীন হলাম। যাইহোক, আমরা কী বিয়ারিশ মার্কেটের দিকে যাচ্ছি? আর কী নতুন ATH হবে না? এই বিষয়ে আপনাদের মতামত কী?
আচ্ছা জানি না পুর্বের মতো হবে কীনা, আপনাদের কী মনে হয় 2026 সালে বেয়ারিশ সিজিন শুরু হবে এবং 2022 সালের মতো বিশাল পতন দেখা যাবে? যেমন 2022 সালে 69k থেকে 15k এসেছিলো, তাই 2026 সালে কী $30k-$40k আসার সম্ভাবনা আছে?
আমার মতে এখন আর Bear run বলে কিছু নেই, তবে আমরা mini bear run বলতে পারে। সহজভাবে বললে, মার্কেট ইতিমধ্যে bearish হইছে এবং এমন চলতে থাকবে যতদিন নাহ USA ও China এর Tarif যুদ্ধ শেষ নাহ হয়। যেই খবর ছড়িয়ে পরবে দেখবেন যে, বিটকয়েন হু হু কইরা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করেছে।

আবার ETF এর Inflow ও বৃদ্ধি পাওয়ার শুরু করবে এবং তখন সবকিছু এত তাড়াতাড়ি হবে যে, আমাদের মতো সাধারণ ট্রেডার কিংবা বিনিয়োগকারীরা ভাববে যে, আগে কেনো ক্রয় করলাম নাহ এবং মার্কেটের বৃদ্ধিতে নিজের লাভটা বেশি হইলো নাহ।
সহজ হিসেবে বললে, এখন মার্কেট ৯০ শতাংশ নির্ভর করে যে, institutional বিনিয়োগকারীরা মার্কেটকে কেমনে নাচাবে তার উপর। কেননা মার্কেট তো তারা manipulation করতেছে, যেমন এখন অল্পতেই মার্কেটের দরপতন করে নিজেরা অল্প অল্প করে ক্রয় করে নিতেছে এবং পরবর্তীতে inside news পেয়ে leverage ট্রেড করেও লাভ করবে।
এখন যেহেতু বিটকয়েন প্রায় ১০০কে এর আশেপাশে মুভমেন্ট করছে আর অল্টকয়েন গুলো আবারো তার ভ্যালু হারিয়ে ফেলেছে, এখান থেকে আসলেও রিকভার করা যাবে কি না বলা যাচ্ছে না। অন্যান্য বুল রানের চাইতে এই বুল রান ভিন্ন ছিল সেটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে। মার্কেট এখন আর আগের প্যাটার্ন গুলো ফলো করে না। তাই সব কিছুই এখন আনপ্রেডিক্টেবল।
আপনি লক্ষ্য করেছেন কি নাহ জানি নাহ, কিন্তু আমি অনেক আগে থেকেই বলেছি যে, মার্কেট আর আগেরও মতো কোনো trend/pattern অনুসরণ করবে নাহ। প্রথমত এখন অনেক বেশি institutional বিনিয়োগকারী মার্কেটে রয়েছে এবং ETF এর outflow এর পরিমাণ বেশি হইলে মার্কেটে দরপতন শুরু হয়। আবার অল্টকয়েনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট কোনো bullrun আর পাবেন নাহ, কেননা এখন মার্কেটে শুধুমাত্র narrative এর ভিত্তিতে অল্টকয়েনের mini bullrun চলে। উদাহরণ হিসেবে, গত কিছু সপ্তাহ ধরে privacy ভিত্তিক narrative চলেছে এবং ZCASH কয়েনটির সেই বৃদ্ধি হয়েছে। যদিও privacy ভিত্তিক narrative টা ২ মাস আগেই শুরু হয়েছিলো, কিন্ত গত সপ্তাহগুলোতে সবার মুখে মুখে এবং ফলস্বরূপ অন্যান্য privacy ভিত্তিক অল্টকয়েনগুলোও ভালোই পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই মার্কেটে এমন narrative খুজে, বিটকয়েন dump দিলেই কিছুটা ক্রয় করার পর লাভ হওয়া মাত্র আসল বিনিয়োগ তুলে নিয়ে, বাকিটা রেখে দিয়েন।

স্কামাররা বিভিন্ন উপায় খুঁজে যে কিভাবে লোকদের সাথে প্রতারণা করা যায়। গুগল প্লে স্টোরে হাইপারলিকুইড প্ল্যাটফর্মের মত নকল অ্যাপস দেখা গেছে, যা ক্রিপ্টো ব্যবহারকারীদের জন্য ঝুঁকি, এটি অফিশিয়ালি অ্যাপ এর মতোই জাল করে ছদ্মবেশে প্লে স্টোরে আপলোড করা হয়েছে। এই অ্যাপসটি ব্যবহারকারীরা ডাউনলোড করলে তাদের ওয়ালেটের রিকোভারী কী চায়, যদি কেউ তা দিয়ে দেয় তাহলে তাদের ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং ওয়ালেটের সকল ডলার নিয়ে যায়।
Not your Key, Not your Crypto
প্রত্যেকটা প্রজেক্টেরই বর্তমান সময়ে মোবাইল অ্যাপ না থাকলেও PWA ( Progressive Web App)আছে। তাই যারা এমন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে থাকে, তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে যাচাই নাহ করে ইনস্টল তো করবেই নাহ। আর ইনস্টল করলেও, যারা perp/derivative ট্রেডিং করে, তারা নিজেরে ওয়ালেটের private key কিংবা seed words তো ভুলেও দিবে নাহ।

এই অনেক দেখেই বুঝা যাইতাছে যে এটা ফেক কোন ডাউনলোড নাই কোন রিভিউ নাই। কোন অ্যাপস মিলিয়ন ডাউনলোড হলেও আমি সেই অ্যাপস ডাউনলোড করার আগে রিভিউ গুলা ভালোভাবে পড়ি এবং আমি দেখি যে এর রেটিং কেমন।
শুধুমাত্র review দেখেই যাচাই শেষ করিয়েন নাহ, কারণ review ও কিনতে পাওয়া যায়। তাই প্রথমে ওই প্রজেক্টের ওয়েবসাইট কিংবা টুইটার থেকে আগে যাচাই করে নিয়েন, নইলে আবার paid review দেখে ইনস্টল করে ধরাও খাইতে পারেন। যদিও ক্রিপ্টোভিত্তিক অ্যাপগুলোর ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা একটু কম, তারপরও সতর্কতার মার নাই।