সিগারেট ভাই শরীরের জন্য খারাপ। আর আমার পাবলিকলি কারোর সিগারেট খেতে দেখলে, বিশেষ করে আমার মুখে যদি ধোয়া লাগে, তখন মন চায় জুতা দিয়ে মারি। তুই খাইয়া মরবি মর, চিপায় গিয়া মর, আমার সামনে ধোয়া ছাড়ো কেন! দাম বাড়ানোর ইফেক্ট হিসেবে যদি মানুষ সিগারেট খাওয়া কমায় তাহলে আমি এটাকে পজিটিভ মাইন্ডে দেখি।
আসলে সিগারেট যাদের খাওয়ার তারা এমনিও ভাবে অমনিও খাবে দাম বাড়লেও খাবে দাম কমলেও হবে, হয়তোবা অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাবে যে কেউ কেউ সিগারেট সুইচ করতেছে টাকার চাপ কমানোর জন্য কিন্তু সিগারেট খাওয়া কমবে না।
মুরগি পালার আইডিয়া খারাপ না, কিন্তু খাবার খরচ কুত্তার মতো! আমাদের এই এক বছর আগেও মুরগির ফার্ম ছিলো। ডেইলি ৩০+ ডিম দিত। ২ জাতের মুরগি ছিলো, ব্লাক এসলোক, আর ফাওমি। মুরগি হবে ১৫০-২০০ খানেক, সব ভাক্সিন করা, জীবনেও একটা মরে নি। কিন্তু শেষমেশ খাবার খরচে কুলাতে না পেরে সব বাদ দিতে হইছে। বস্তা প্রতি ফিড ২৫০০-২৭০০ টাকা, প্রতি মাসে ৩-৪ বস্তা লাগে। তাহলে খরচ কই যায় ভাবেন।
নেটে আমি নিজেই বাসায় ঘরোয়া ভাবে ফিড বানানোর একটা মেশিন দেখছিলাম। ঐটা কেমন ইফেক্টটিভ জানিনা, বাট যদি কোনোভাবে খাবার কস্ট কমাতে পারেন তাহলে মুরগি পালন ভালো হতে পারে। বাজার দিয়ে ফিড কিনে খাওয়ানো কষ্টকর, তাও আবার নন-বয়লার জাতে। বয়লার হলে কয়েকমাসেই বাজারে ছাড়া যায় দাম কমবেশি করে। কিন্তু আমি যা পালতাম তা বড় হতে সময় নেয়, বাট মুরগির মাংস ভালো, জাত উন্নত, ডিম পুষ্টিসমৃদ্ধ। এনিওয়ে, শেষ পর্যন্ত আর কন্টিনিউ করতে পারিনি, এখন জাস্ট ২টা গরু আছে, মা আর বাচ্চা বাছুর (ঈদকালিন ইনভেস্টমেন্ট

)।
যখনই কোন বিজনেস করার ইচ্ছা পোষণ করি তখনই এই ধরনের নেগেটিভ নিউজ সামনে আসে এবং বিজনেস করার ইচ্ছা বা সাহস আর পাই না।
আমার এক বন্ধু ফাওমি মুরগি দিয়ে ফার্ম স্টার্ট করতে চেয়েছিল সে এখনো স্টার্ট করেনি তোমার কথা তাকে এখন আমার বলতে হবে, এত কষ্ট পেলে যদি মাস শেষে মাত্র দুই থেকে তিন হাজার টাকা প্রফিট হয় তাহলে এত রিস্ক নিয়ে লাভ কি?