ভাতই পাইনা আর পিজ্জা! এন্ড টু বি অনেস্ট, একসময় এসব সুন্দর সুন্দর ইভেন্ট নিয়ে ভালোই এক্সসাইটমেন্ট কাজ করতো। প্রথম দিকে ট্রাইও করছিলাম পার্টিসিপেট করার। কিন্তু এসব ইভেন্টগুলোকে কেন্দ্র করে যে পরিমাণ মারামারি, কোপাকুপি, হান্দাহান্দি, হয় সাথে ট্যাগ ফ্রি তা দেখে আর এসবে ঢুকতে ইচ্ছা করতো না। কোন ট্যাগ মিন করছি তা ভালো করেই জানেন।
আর মেইন কথা আমার ওভেন নাই।

যা আছে তাতে পিজ্জা ফোলে না, হয় বিস্কুট হয়ে যায়, নয়তো কেক হয়ে যায়

, কিন্তু পিজ্জার যে ভাব আছে সেটা পাই না, পিজ্জা বানানোর ট্রাই করছিলাম একবার, সেটা পরবর্তীতে দেখি "বাল" বানায় রাখছি।
এসব কারনে অংশগ্রহণ করবো না এবছরও।
আমার বাসায় ওপেন আছে কিন্তু আমি ওভেনের চাইতে চুলাতেই ভালো পিজ্জা বানাইতে পারি। মেইনলি আমার ওপেন এর ম্যানুয়াল পেপার হারিয়ে ফেলেছি আর ইন্টারনেট ঘেটে একই মডেলের ওভেনের দ্বারা পিজ্জা বানানোর ভিডিও কোথাও পাই নাই তাই আমি গ্যাসের চুলাতেই পিজ্জা বানাতে যাই।
এইখানে মেইনলি আমাদেরকে সরাসরি যে পাত্রে আমরা পিজ্জা দিব সেটা চুলায় বসানো যাবে না মানে চুলার ওপরে প্রথমে একটা পাত্র দিতে হবে তার ওপরে আরেকটা পাত্রে পিজ্জা দিতে হবে। তাহলে মূলত পিজ্জা পুড়ে যাবে না অথবা শক্ত হয়ে যাবে না সঠিক সময়ে নামালে।
আমার ক্ষেত্রে ওভেনেই উল্টো পিজ্জা কাঠ হয়ে যায়। একটা কাঠি দিয়ে চেক করবা বারবার কয়েক মিনিট পর পর যদি কাঠির মধ্যে কাঠি ডাবিয়ে উঠানোর পর যদি আটা না লেগে আসে তাহলে পিজ্জা হয়ে গিয়েছে। আমি আসলে বুঝতেছিনা এবার অংশগ্রহণ করব কিনা। গত বছর তো করেছিলাম না তার আগে কয়েকবার করা হয়েছিল।
আসসালামু আলাইকুম ভাই ব্রাদার সবাই কেমন আছেন?

হঠাৎ করে একটা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলাম, বুঝতেছি না কি করবো? রাতে বিছানায় শুয়ে রইছি হঠাৎ কইথেকে একটা বিড়াল লাফ দিয়ে মশারীর উপরে পড়লো। যখন মশারীর উপর পড়ে তখন আমি ভয়ে পা উচু করায় আমার পায়ের সাথে লেগে যায়, যখন লাগলো তখন হালকা ঝালা পোড়া করলো এবং এখনও হালকা ঝালা পোড়া হচ্ছে কিন্তু কোন আঁচড় লাগার দাগ হয় নাই। তাই বুঝতাছি না কি করবো আমাকে কি ভেকসিন দিতে হবে? নাকী সমস্যা হবে না, কনফিউশনে রয়েছি,
কোন পরামর্শ পেলে কৃতজ্ঞ থাকব। ডিরেক্টলি বলব আপনাকে ভ্যাকসিন দিতে যান ভ্যাকসিনের বিকল্প নাই, তাতে বিড়ালের রেভিস থাকুক বা না থাকুক।
পৃথিবীতে এখনো পর্যন্ত একটা মাত্র রোগের কোন চিকিৎসা নাই সেটা হলো রেভিস। সো মাত্র কিছু টাকার জন্য জীবন ঝুঁকিতে ফেলবেন কেন?
যাই হোক এবার প্রসেসে আসি, যদি আপনি জেলা সদর পর্যায়ে হসপিটালে যান তাহলে প্রথমে, একটা টিকিট কাটবেন টিকিট কাটার সময় বলবেন বিড়ালের খামচি আর কামুরের জন্য ভ্যাকসিন দিবেন। তাহলে তারা আপনাকে টিকিট কেটে দিয়ে ইমারজেন্সি ডক্টর এর কাছে পাঠিয়ে দিবে।
সেখানে ডক্টর আপনার কতগুলো চেক করবে এবং তারপর নির্দিষ্ট নিয়মে শিডিউল করে দিবে। এবং বলে দেবে ভ্যাকসিন দেওয়ার স্থান।
আপনি ভ্যাকসিন দেওয়ার স্থান এ যাওয়ার সময় দেখবেন সামনে দালাল বসে আছে, মানে সরকারি হসপিটালের সাপ্লাই না থাকার কারণে হসপিটালের সামনেই আপনার জন্য ভ্যাকসিন নিয়ে উপস্থিত, এক ভায়াল ইনজেকশন চারজন দেওয়া যায় তো চারজন মানুষ একত্রিত হবেন হয়ে 135 টাকা করে পার পার্সেন্ট দিয়ে ভ্যাকসিন কিনে নিবেন এবং ভিতরে গিয়ে ইনজেকশন দিয়ে আসবেন।
সম্ভবত তিন থেকে চার দিন এভাবে দিতে যেতে হতে পারে।