আপনার মিটারটা কি prepaid নাকি postpaid? আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে postpaid। যদি postpaid হয়, তাহলে আপাতত খুব বেশি চিন্তা করার কিছু নেই। কারণ সামনে ছোটোখাটো একটা বাস খাবেন। আমাদের দেশের বিদ্যুৎ অফিসের লোক হইলো অলস। অনেক সময় বিদ্যুৎ অফিসের লোকেরা মিটার রিডার নিয়মিত রিডিং নিতে আসে না বা সঠিক রিডিং বিলে আপডেট হয় না। তখন কয়েক মাস খুব কম বিল আসে, পরে একসাথে রিডিং আপডেট হলে আগের বকেয়াসহ বিল করে, সেক্ষেত্রে ৩০০০-৪০০০ টাকা বা তারও বেশি বিল চলে আসতে পারে। তবে আপনি একটি কাজ করতে পারেন মিটারের রিডিং গুলা নোট করে রাখতে পারেন। যেমন এই মাসের ১৪ তারিখ থেকে এর পরের মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত কত রিডিং আসলো। এইক্ষেত্রে আপনি নিজেই নিজের বিদ্যুৎ বিল হিসাব করতে পারবেন। আর বর্তমানে ইউনিট প্রাইজ মনে হয় ১০ টাকার মতন। আপনি শুধু আপনার মোট ইউনিটকে ১০ দিয়ে গুন দিবেন, তাহলেই আপনার বিল বের হয়ে যাবে।
ভাই একবার বলেন চিন্তা নাই, আবার বলেন বাশ খাবেন, লল। হ্যাঁ এটা postpaid মিটার। আপনার এই পোস্ট দেখার পর আজকে এলাকায় খোজ নিয়ে দেখলাম, পাশের বাড়ির একজনের এমন সমস্যা ছিলো, তাদের ফ্রিজ, মটর,৪*৫ টা ফ্যান চলে, কিন্তু তাদের বিল মাসে ২০০ টাকা করে আসতো, কিন্তু এক কয়েকমাসে পর বিদুৎ কর্মীরা একাই মিটার চেঞ্জ করে দিয়েছে। তাদের তো কোন বাড়তি বিল যোগ করে নাই।
তবুও আপনার পরামর্শ অনুযায়ী লিখে রাখবো।
সবাইকে বলতে চাই আপনাদের সকল ধরনের ইনভেস্টমেন্ট এর ক্ষেত্রে এই কৌশল অবলম্বন করবেন যেন আপনার সকল ডিম এক জায়গায় না থাকে, এই যে ঘটনা ঘটে গেল যারা যারা নিজেদের সকল সেভিংস শুধুমাত্র বিটকয়েনের উপর রেখেছে তারা হয়তো এই ঘটনার পর নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে, অনেকে হয়তো এখনো বুঝে ওঠে পারেনি কারণ এটি কোল্ড ওয়ালেট বা হার্ডওয়ার ওয়ালেট ছিল তাই অনেকে অফলাইনে রেখে দিয়েছে এখনো হয়তোবা তারাও নিউজগুলো চোখে পড়ার পর যখন ওয়ালেটগুলো দেখবে তাদের বিটকয়েন ড্রেইন হয়ে গিয়েছে ।
ভাই আরও কিছু যোগ করা উচিত, যে ফান্ড শুধু একটি ওয়ালেটে না রেখে ভিন্ন ভিন্ন ওয়ালেটে রাখার চেষ্টা করা উচিত, যাতে এক টা হ্যাকিং এর শিকার হলে সব অর্থ হারাতে না হয়, আর এজন্যই বিটকয়েনের মতো সম্পদে হারানোর সামর্থ্যের চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা উচিত নয়।
তাই সবাইকে অনুরোধ করব আমরা যা যা ইনকাম করি তা ড্রাইভারসিফিকেশন করে রাখার জন্য কখনোই সকল ফান্ড একটি এসেটের মধ্যে রাখা উচিত নয়। জমি বলেন, স্বর্ণের বলে, অথবা টাকাতে এবং স্টেবল কারেন্সিতে সকল কিছুতেই ভাগাভাগি করে রাখা উচিত।
হ্যাঁ ভাই আমিও এটাই পছন্দ করি, কিন্তু ভাই জমির হিসেব আলাদা, আমার দেখা সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হলো জমি, যদি কাগজ পত্র ঠিক থাকে তাহলে কোন বেজাল নেই৷ আসলে আমাদের দেশের লোকেরা কিন্তু স্বর্নে বিনিয়োগ করে না, ওই যে শুধু বউ বাচ্চার কিছু স্বর্ণালংকার এগুলো থাকে, তা ছাড়া কেউ কি স্বর্ণের বার কিনে রাখে? যাই হোক যাদের প্রচুর টাকা পয়সা আছে তাদের অবশ্যই একাধিক এসেটে মধ্যে বিভক্তি করে রাখা উচিত।