আসলে উপরের পিকচার প্রমান করে যে বিটকয়েন খুবই অস্থির প্রকৃতির। গত বছর অক্টোবর মাসে সম্ভবত বিশ্বের সকল মুল্যবান সম্পদের মধ্যে
৫ নাম্বার অবস্থানে ছিলো। কিন্তু বর্তমানে বিটকয়েনের দাম অনেক কেমেছে যার কারণে বিটকয়েনের মার্কেট ভ্যালু $1.24 ট্রিলিয়নে এসেছে। বিগত ৮ মাসের ব্যবধানে, বর্তমানে বিটকয়েন ১৫ তম অবস্থানে নেমে এসেছে।
আমার যতটুকু মনে আছে, বিটকয়েন গতবছর অক্টোবর নাগাদ সেরা ১০ তে ছিলো এবং সেরা ৫ এর মধ্যে ছিলো নাহ। তার কারণ হইলো AI এর ট্রেন্ড চালু হওয়ার পর থেকে Nvidia এবং অন্যান্য প্রজেক্টগুলো সেরা ৫ এর দখলে ছিলো। আর কিছুদিন আগে SpaceX এর IPO এরপরে সেটিও সেরা ১০ এর মধ্যে চলে আসে। যাইহোক বিটকয়েন কিন্তু AI এর ট্রেন্ড এবং ট্রাম্পের সরকারে আসার আগে পর্যন্ত Total Market Cap এ ভালোই জায়গা করে নিয়েছিলো। কিন্তু ট্রাম্পের ক্ষমতায় আসার পর থেকে এবং বিভিন্ন ETF এর চালুর পর থেকে বিটকয়েনের মূল্যে আর আগের মতো উর্ধ্বগতি দেখা যায়।

শুধু এটাই নাহ, BTC Rainbow Chart আছে, যেটা সাধারণত সিগন্যাল দেয় যে বিটকয়েনে সামনে কেমন করবে। আর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো BTC Rainbow chart এ বিটকয়েনের মূল্য কিন্তু rainbow এর নিচে চলে এসেছে। যেটা এর আগে কখনোই হয় নাই। এর আগে যতবারই rainbow এর নিচে এসেছিলো তখন bear market চলেছে এবং এরপর আবার উপরের দিকে উঠেছিলো যে সময়টায় bull market চলতেছিলো।

যখন সবাই জানতে পেরেছে যে, বিটকয়েনের মূল্য rainbow chart এর নিচে চলে গিয়েছে, তখন থেকে ক্রিপ্টো কমিউনিটির অনেকে মজা নেওয়া শুরু করেছে যে উপরের ছবির মতোই বিটকয়েনের মূল্য হইতে যাচ্ছে। সহজ বাংলা কথায়, যেখান থেকে শুরু সেখানে আবার চলে যাবে। কারণ rainbow এর অর্ধেকে এর আগে বানানো শেষ, এখন বাকি অর্ধেক শূন্যতে পৌছানোর মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

শুনেন তাহলে বাস্তব কথা বলি আপনাদের। প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ করে চার বছর পড়ালেখা করে এখন আমাকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার স্যালারিতে জব খুঁজতে হবে। সেখানে আমার ফ্রেন্ড এইসব ঝামেলা ছাড়াই লবিং এর মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিং পোস্টে একটা জব নিয়েছিল সেখান থেকে তার স্যালারি এখন বর্তমানে ২২ হাজার টাকা, এই সাথে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা যোগ হবেই। এখন নিজেকে প্রশ্ন করছি যে সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল নাকি কপালটাই খারাপ।
পরিশ্রমও করলাম টাকা ও ব্যয় করলাম সেই অনুযায়ী ফলাফল না পেলে খুব খারাপ লাগে। আর বর্তমানে চাকরির বাজারের যে বাজে অবস্থায়, একজন বিএসসি পাশ করা স্টুডেন্ট বিশ হাজার টাকা স্যালারি পেলে নিজেকে ধন্য মনে করছে। তাও নাকি লবিং ছাড়া জব হচ্ছে না।
আমি জানি নাহ আপনি কোন Department থেকে BSc করেছেন, কিন্তু এটা সত্য যে বাংলাদেশের মার্কেট BSc Grad দের জন্য ১৫-২০ হাজারের উপরে কোনো চাকরি নেই। এর অনেক কারণ আছে এবং তার মধ্যে একটা হইলো যে, ভার্সিটির ছাত্র থাকা অবস্থায় তারা শুধু কোনোভাবে BSc টা শেষ করা এবং এরপর চাকরির জন্য তৈরি হবে ভেবে সময়টা কেটে দেয়। আর একটি কারণে নাহ আপনি নিজের জন্য কোনো experience তৈরি কিংবা networking করতে পারেন নাহ। আর একটা বিষয় হইলো, কেউ নিচের জীবনের লক্ষ্য নিয়ে সচেতন নয় এবং বাবা-মা বলছে কিংবা বন্ধুরা নিতেছে বলেই কোনো একটা subject নিয়ে নিলাম। যেহেতু বেশির ভাগই ছাত্ররা এমনভাবে BSc শেষ করে, তাদের ১৫-২০ হাজারের উপরের চাকরিতে আবেদনই করতে পারে নাহ। এমন নাহ যে, মার্কেটে শুধুমাত্রই ১৫-২০ হাজারের চাকরি রয়েছে। বরং ৫০-৬০ হাজারের কিংবা এর উপরের অনেক চাকরি রয়েছে এবং আমিই নিজেই আমার বন্ধুদেরকে ওমন চাকরির খোজ করে দিয়েছিলাম।
কাহিনী আসে ওই একটা জায়গাতে যেয়ে, সেটি হইলো হলো experience কিংবা networking নিয়ে। আপনি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শুধু প্রেম করেছেন কিংবা Academic CGPA বাড়ানো নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু অপরদিকে আপনার একজন বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে মজা করার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে এবং তখনই বিভিন্ন প্রজেক্টে contribute করেছে কিংবা নিজে থেকে কোনো কাজের case study করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন বড় ভাইদের সাথে যোগাযোগ (চাটুকারিতা নাহ আবার যে বড় ভাইয়ের লগে মাস্তানি করে বেড়াবো, ট্যুর দিবো ইত্যাদি ) রেখেছে এবং তাদের সাথে কোনো প্রজেক্টে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছে। এখন আপনি এবং আপনার বন্ধু একটি কোম্পানি চাকরির জন্য আবেদন করলেন, যেখান ওই বড় ভাই চাকরি করে। তাহলে বলুন, কার চাকরি হবে?
সভাবতই অনেকে ভাববেন যে, ওই বড় ভাই সুপারিশ করে তার চাকরি দিয়ে দিবে। এটাই হবে এবং এটা করার কারণও আছে। কেননা আপনার বন্ধু সেই বড় ভাইয়ের সাথে কোনো নাহ কোনো প্রজেক্ট করেছে কিংবা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। আর এই কারণে ওই বড় ভাই জানে যে, আপনার বন্ধু কতটা পারদ্বর্শী। অপরদিকে আপনাকে তো তিনি চিনেন নাহ এবং জানেনও নাহ যে, আপনি কি জানেন আর কি জানেন নাহ। তাহলে আপনাকে সুপারিশ করবেও নাহ এবং বড় বড় চাকরিগুলো সাধারণত এভাবেই অনেকে চাকরি পেয়ে থাকে। তাই যারা এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আছেন, মজা করার পাশাপাশি তাদের উচিত হবে নিজের portfolio তৈরি করা এবং networking ভালো করা যেন বেসরকারি চাকরিতে ভালো বেতন পাওয়া যায়। নইলে ১৫-২০ হাজারের চাকরি ছাড়া অন্য চাকরি সহজে কপালে জুটবে নাহ আপনাদের BSc grad শেষ করার পর।
তাই আমি মনে করি বাচ্চাদের পয়সার মূল্য বুঝানো উচিত শুরু থেকে। টাকা যে একটা বাজে জিনিস ছোট বেলায় বাবা মার কাছ থেকে শুনতাম। যে পড়ালেখা করে মানুষের মত মানুষ হতে হবে, টাকার পিছনে ছোটা যাবে না, স্কুল লাইফেও সেম কাহিনী। আমার মনে হচ্ছে এই কথাগুলো সবচাইতে বড় স্কাম। জাস্ট কিছু এলিট লোকেরা এক শ্রেণীর মানুষকে উপরে উঠতে না দেওয়ার খুবই সূক্ষ্ম মাস্টার প্ল্যান।
বাংলাদেশের কোনো বাবা-মাই তাদের সন্তানকে money management শিখায় নাহ, এটাও একটি বড় কারণ আমাদের এমন পিছিয়ে থাকার জন্য এবং পড়ালেখা করে যে কিছু করা যায় নাহ, এমনও নাহ বিষয়টা । আপনি যদি নিজে থেকে কোনো একটা বিষয় নিয়ে আগ্রহী থাকেন, তাহলে সেখানে আপনি পড়ালেখা করে কিংবা সেটি সম্পর্কে জানার মাধ্যমেই সফল হইতে পারবেন। টাকা দিয়ে সেটিতে আপনি হয়তো সফল হইতে পারেন, কিন্তু বেশিদিন সেই সফলতা থাকবে নাহ। আর আপনার অনেক অপকর্ম করতে হবে সেই সফলতা বজায় রাখার জন্য যেমনটা elite society এর লোকরা করে থাকে। আমার ব্যক্তিগত মতামত এটাই হবে যে, যাদের বাচ্চা আছে তার নিজেদের বাচ্চাদের money management ছোটবেলা থেকেই শেখাবেন এবং পড়ালেখা লাগবে কিন্তু কখনোই চাপিয়ে দিবেন নাহ যে তোমাকে ডাক্তারই কিংবা ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে।

@cygan তার ফোরামে ১৫ তম বার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি র্যাফেল এনেছেন। এখানে কিছু আকর্ষণীয় স্টিকার ও আরও আইটেমের পুরস্কার রয়েছে। তাই যারা যারা ফ্রি র্যাফেলে অংশগ্রহন করতে চান তারা জলদি আবেদন করুন।
Shipping cost নিজের দেয়া লাগবে...মিনিমাম ২০-৫০ ইউরো (ডিপেন্ডিং অন দ্যা মেথড, Postal, DHL, FedX, UPS)...

shipping fee এর পাশাপাশি সর্বনিম্ন $১০০ ফি দিতে হবে যদি কোনো জিনিসে Lithium battery কিংবা এমন কিছু হয়ে থাকে। আমি Jumper Exchange ব্যবহার করায় , ওরা একবার Safepal এর নতুন ওয়ালেটটা ফ্রিতে দিতেছিলো এবং আমি ভাবলাম নিয়ে নেই। যেমন কাজ তেমনি claim করলাম এবং ওদের শর্ত ছিলো যে, shipping fee ব্যবহারকারীকে দিতে হবে। আমার সেটাতেও সমস্যা নেই, কারণ $৩০-$৪০ দিয়ে যদি $৮০ এর হার্ডওয়্যার ওয়ালেটটা পাই, তাইলে খারাপ কি? Jumper Team সব তথ্য নিয়ে DHL এ পাঠায় এবং সব ঠিকই ছিলো। কিন্তু বাংলাদেশে custom এ আসার পর DHL বলে সেটা custom clearance করতে নাকি সর্বোচ্চ $120 এর মতো লাগবে ( $১০০ ব্যাটারি থাকার কারণে এবং বাকিটা তাদের সার্ভিস ফি) । $৮০ বাচাতে গিয়ে আমার $১২০ নাই এবং ওইদিকে তো আরো $৪০ দিয়েছি shipping fee হিসেবে।

আগে এসব জিনিস অনেক সময় পোষ্ট অফিসে করে দিতো এবং তখন তেমন একটা ফি নিতো নাহ। কিন্তু এমন এক বালের দেশে থাকি, এখানে custom clearance করতে জীবন তেজপাতা হয়ে যায়।যাইহোক পরে শুনলাম আপা পালানোর আগে নাকি এই নিয়ম করছে যে, Lithium ব্যাটারি থাকলেই নাকি $১০০ ফি দিতেই হবে। তাই যারাই ব্যাটারি জাতীয় কিছু জিতবেন, তারা বাহিরে কেউ থাকলে তাদের ওখানে shipping করে নিয়েন এবং সে দেশে আসলে তাকে হাতে করে আনতে বলিয়েন। নইলে আমার মতো এমন ধরা খাবেন।