যদি সেটা remmitance হিসাবে আপনার নগদ কিংবা বিকাশে আসে, তাহলে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু p2p অথবা সহজ হিসাবে হুন্ডি হিসাবে আসে, যে উনি ওখানের কোন agent কে ওই দেশের অর্ধ দিল এবং ওই agent প্রবাসে অর্থ পাওয়ার পর বাংলাদেশে থাকা লোকাল agent কে বললো আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা দিতে। এভাবে যদি শুধু cash in হয়, তাহলে আপনার সমস্যা হইতে পারে। কারণ ওটা remmitance হিসাবে আসে নাহ।
ভাই রেমিট্যান্স হিসেবে আসে না তো, সরাসরি এমনে অন্যান্য সাধারণ লেনদেনে যে মেসেজ আসে সেভাবেই এসে কাউন্ট হয়। আমি হুন্ডি বুঝি না, এটাই হুন্ডি নাকী? আমার ফোনে দীর্ঘ ১.৫ বছর ধরেই এমনে লেনদেন হয়, মাসে ৫০-৮০ হাজার লেনদেন হয় আরকী। যাই হোক, যদি এই ওয়েই হুন্ডি হয় তাহলে আর আমার একাউন্টে কোন টাকা পাঠাতে না করে দিবো, অযথা বিপদে পড়তে চাই না।
কারণ আমি নিজে নিজের DBBL ব্যাংকে টাকা নিতে যেয়ে মারা খাইছি। এক তো চোরের দল Bkash টাকা পাঠানোর সময় ৮.৫ টাকা কাটছে প্রতি হাজারের হিসাবে, এরপর যখন আমার DBBL ব্যাংকে টাকা ধুকছে, তখন ব্যাংক আবার সাথে সাথে ২৩% ফি ভ্যাট হিসাবে কাটছে।
তাইলে লাভ কী হলো" খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি" এমনেই তো প্রিয় এজেন্ট এড করে নিলে হাজারে ১৩.৯৫ টাকা খরচ যায়, এতাই ভালো। ক্রিপ্টোকারেন্সি আমাদের দেশে অবৈধ তবুও p2p মাধ্যমে সহজেই নগদ বিকাশে টাকা আনতেছি এটাই তো বড় কিছু, যাকনা হাজারে ১৪ টাকা।
এখন মানুষ বিশেষ করে বাংলাদেশের ৪০% মানুষ বিটকয়েনের নামটা আপাতত জানে এবং অনেক মানুষই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বিটকয়েনের ইনকামের সাথে জড়িত। তাই বাংলাদেশ সরকার এই বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।
এটা অতিরিক্ত হয়ে গেল না? যদি ৪০% মানুষ বিটকয়েন সম্পর্কে জানে তাহলে ৭ কোটির বেশি মানুষের বিটকয়েন সম্পর্কে জানতে হবে। আমার মনে হয় না যে বাংলাদেশের ৪০% মানুষ বিটকয়েন সম্পর্কে জানে বা নাম শুনেছে। কয়েকদিন আগে একটি নিউজ শেয়ার করেছিলাম যেখানে বাংলাদেশের ৪০ লাখ মানুষ ক্রিপ্টো লেনদেন করার তথ্য রয়েছে, এটি বাংলাদেশের জনসংখ্যার ২.৪% এর মতো ছিলো।
পুলিশের কাছে ধরা খাইলে তো, সেখানে খেলা শেষ। কিন্তু এটা তাদের এজেন্টরা করে এবং আপনি যদি মাসে ২০-৫০ লাখের বেশি লেনদেন করেন। তাহলেই আপনি ওদের নজরে পড়বেন, বাকি যারা কম লেনদেন করেন তাদের কোনো চিন্তার কিছু নাই।
ভাই ১৫-২০ লাখ আল্লাহ এত টাকা, আমি মাসে ১৫-১৬ হাজারের বেশি লেনদেন করি না, যেখানে পুলিশের ধরবো বলে চিন্তা করতেছি। আর আমিও এখন পর্যন্ত কাউকে দেখি নাই যে জুয়া খেলার জন্য বা অবৈধ লেনদেন করার জন্য কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। যদি তাই হতো তাহলে আমাদের এলাকার প্রায় ৭০% পোলাপন অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। দেশে জুয়ার প্রতি এত বিধি নিষেধ দেওয়া রয়েছে তবুও কিন্তু লোকেরা জুয়া খেলা বাদ দেয় নাই, আমরা যারা পিটুপি করি আমাদের চেয়ে জুয়ারীদের আগে ধরা উচিত।
প্রায় ২ আড়াই বছর ধরে টুকটাক লেনদেন করতেছি কিন্তু এখন পর্যন্ত আল্লাহ কোন ভেজালে ফালাই নাই, তাই ভবিষ্যতেও কোন ভেজালে পড়ব না ইনশাআল্লাহ।