চোঁখ খুলুন মহাশয়। সোসিয়াল মিডিয়া সাইট ফেসবুকে একটু হানা দেন। কোনটা ফেক কোনটা রিয়েল সব পানি পানি হয়ে যাবে।

বর্তমান যা হইতেছে তা আর সহ্য করার মতো নাহ, এমনিতেই তো অলরেডি সবকিছুতে বাড়তি দিচ্ছি, তার মধ্যে লিটারে আরো ২০ টাকা বাড়তি মানে বাজারের সব কিছু আবারো দ্বিগুন। তেলের সাথে সবকিছু কানেক্টেড। সাধারণ মানুষের জীবন এখন নরকে রুপান্তর হইছে। এই নরক থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো দেশ ত্যাগ করা।
দৌড়াদৌড়ি আর ব্যস্ততার কারণে সোশ্যাল মিডিয়াতে একদম ঘুমে যাওয়ার আগ মুহূর্তে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া চালানো হয়, বলতে গেলে সোশ্যাল মিডিয়ার চাইতে আমি ফোরামে বেশি সময় দেই হয়তোবা তাই ফোরামে তোমার কাছ থেকে এই খবর জানতে পেরেছি।
কো ইনসিডেন্টলি তুমি যেই কথা বলতেছ নরক থেকে বাঁচার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে দেশ ত্যাগ করা, আজকেও কম্পিউটারের হার্ডওয়ার এর এক পরিচিত দোকান এগিয়ে ছিলাম সেখানেও ওই দোকানের মালিক আমাকে বলল বাইরে যদি যাইতে পারো চলে যাও দেশে থেকে লাভ নাই।
আগে ২০ টাকা লাগতো শহরে যেতে (বাসে)। তারপর করোনার সময় সেটা ৪০ টাকা করা হলো, তারপর আবার একদফা বাড়ায়ে ৫০ টাকা করা হলো। সামান্য ৫ টাকা তেলের দাম লিটারে বাড়ালে যানবাহন মালিকরা টোটাল ভাড়ায় ১০-১৫ টাকা বাড়ায়ে দিতো! এখন এক ধাক্কায় ২০ টাকা তেলের দাম বাড়ানোতে টোটাল ট্রাভেলিং এ কত টাকা বাড়বে তা ইমাজিন করেন। একটা ইকনমিতে তৈরিতে যাতায়াত খরচ সবথেকে বেশি গুরুত্ব বহন করে। এই খরচ যদি বেড়ে যায় তাহলে অর্থনীতি কই গিয়ে ঠেকবে ইমাজিন করেন।
আমি শুধু কয়েক মাস আগের কথা চিন্তা করতেছি যখন ইরান ইসরাইল এন্ড আমেরিকা এর যুদ্ধ হইলো তখন দেশের সরকার জ্বালানি এর দাম বাড়ায়নি যদিও ভোগান্তি ছিল, তখন আমার নিকট এইটা মনে হয়েছে সামনে হয়তো বড় ধরনের কোন ধাক্কা আসতে যাচ্ছে।
আর সেটা একবারে চলে আসলো কিছুদিন আগেই অকটেন ১৪৫ টাকা করল আর এখন ১৬৫ টাকা । অপেক্ষা করা আর কিছুদিন জ্বালানি তেলের দাম বিশেষ করে অকটেন ২০০ টাকা প্রতি লিটার অতিক্রম করবে।
কারণ হিসেবে একটা আপাতত বলি সেটা হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তাদের সর্বনিম্ন ১০০% বেতন বৃদ্ধি করা। ডলার রেট খুব শীঘ্রই ১৩০ অতিক্রম করবে।
জানিনা বর্তমানে বাংলাদেশে এখন রিজার্ভে কি পরিমাণ ডলার রয়েছে।
আবার এই দিকে দিনের পর দিন টেক্সটাইল কারখানা একটা একটা করে বন্ধ হচ্ছে। যেটা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটা বড় মাধ্যম। এই খাতে যদি এভাবেই ধ্বস নামে তাহলে আমার তো মনে হচ্ছে বাংলাদেশে সামনে দুর্ভিক্ষ আসতে যাচ্ছে।
শুনতেছিলাম ভোলা জেলায় গ্যাসের উৎস পাওয়া গিয়েছে এবং সেখান থেকে গ্যাস খনন করা হবে এগুলো কি সত্যি নাকি এগুলো নাটকের একটা অংশ?
ভাই ইলেকট্রিক বাইক মার্কেট থেকে নতুনভাবে ক্রয় করেছিলেন নাকী পুরাতন বাইক ক্রয় করে ইলেকট্রিক এ রুপান্তর করেছিলেন? খরচ কত পড়েছিলো? আর বিক্রি করিয়েন না, তেলের দাম যেভাবে বাড়তেছে তাতে ইলেকট্রিক বাইক চালানোই বেটার।
কি ভাই কিনবেন নাকি?
আমি মূলত নতুন ইলেকট্রিক স্কুটি নিয়েছিলাম এটি ইয়াদিয়া কোম্পানি এর। এটার দাম সম্ভবত ১ লক্ষ ৪০ হাজারের আশেপাশে পড়েছিল।
এক চার্জে ১০০ কিলো এর মতন যাচ্ছে বর্তমানে যদিও দুইবার ব্যাটারি চেঞ্জ করেছি ১০০০০ কিলো চালানোর মধ্যেই। আসলে ভাই কোথাও শান্তি নাই ইলেকট্রিক্যাল স্কুটি এর ক্ষেত্রে যদি আপনি ভালোভাবে মেনটেন না করতে পারেন তাহলে ব্যাটারি দ্রুত ডাউন হয়ে যাবে এবং ব্যাটারি কিনতে গেলেই দেখা যাবে যে যেই লাউ সেই কদু। যদি একটা ব্যাটারি আপনি তিন বছর চালাতে পারেন তাহলে পয়সা উসুল হবে।
গতকালকে একটা দুঃখজনক নিউজ দেখতে পেলাম, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ২০২৮ সাল পর্যন্ত রেডিওথেরাপির জন্য ৭৫০০ রোগীর বেশি সিরিয়াল দেওয়া হয়েছে, দেখা যাবে তারা সিরিয়াল পেতে পেতেই কেউ কেউ মারা যাবে। এই হলো বর্তমানে চিকিৎসা খাতের অবস্থা। বর্তমানে ক্যান্সার যেভাবে বাড়তেছে তাতে প্রত্যেক জেলায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপির ব্যবস্থা করা উচিত।
আমি আপনাকে আমার নিজের ব্যক্তিগত এক্সপেরিয়েন্স এর কথা বলি আমার নিজের মার হার্টে ব্লক ছিল তার এনজিওগ্রাম করার জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এগিয়ে ছিলাম, সেখানে স্বাভাবিকভাবে যদি আপনি এনজিওগ্রাম করতে যান তাহলে আপনাকে একমাস পরে সিরিয়াল দেওয়া হয় তাও এক মাস পরে গিয়ে সাথে সাথেই করতে পারবেন কিনা সেটার কোন গ্যারান্টি নাই।
পরবর্তীতে দালাল দেখতে পেলাম দালালদের সাথে কথা বলেও এটা বুঝতে পারলাম যে টাকা দিতেও সবাই রাজি মানে আপনি যদি পাঁচ হাজার টাকা দেন তাহলে এক মাসের জায়গায় আপনাকে সাত দিনে এনে দেবে তারপরেও আপনি টাকা দিয়েও সাথে সাথে ট্রিটমেন্ট নিতে পারবেন না। বুঝতে পারছেন দেশের অবস্থা?
পরবর্তীতে আমি প্রাইভেটে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং সেখানে খরচের কথা তো বলতে গেলে আর কি বলব।