<✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂✂>
আপনার শেয়ার করা Nsave এর পোস্ট এখনো আমার সম্পূর্ণ পড়া হয়নি কিন্তু এর আগে এটা নিয়ে যে পোস্ট করেছিলাম সেটা পড়া হয়েছে সেখানে আমার কাছে বিষয়টা একটু ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে এভাবে যদি সরাসরি ব্যাংকে টাকা নিয়ে আসা যায় তাহলে আমি মনে করি আমাদের অন্য কোন ভয় আর কাজ করবে না আমরা যে কাজটা করি সেটা তো ফ্রিল্যান্সিং এর আন্ডারে পরে কিন্তু সমস্যা এখানে আমাদের পেমেন্ট গুলো হচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে।
যাই হোক আমার এখানে প্রশ্ন হচ্ছে আপনি ০.৮৫ ডলার ফি কাটার বিষয় বলেছে এই ফি কি কোন পারসেন্টেন্স থেকে এসেছে নাকি প্রতিবার যখন আমরা ডলার থেকে টাকা তে নিয়ে আসব তখন করতে হবে।আপনি যেহেতু পুরো পোষ্টটি ভালোভাবে পড়েন নাই, তাই ফি এর বিষয়টা হয়তো ভুলে গেছেন। কারণ
NSave থেকে আপনি ১৬৯ ডলারের বেশি ব্যাংকে নামালে কোনো ফি নেই, কিন্তু এর কম নামালে সর্বোচ্চ $১ ফি এবং সেটা নির্ভর করে আপনি কতো ডলার নামাবেন। আর আপনি লিগ্যাল পদ্ধতিতে আনতে পারবেন, কিন্তু সেটা আপনাকে প্রথম পদ্ধতি মানে Swit Withdraw ব্যবহার করে ২৫ ডলারের ফি দিয়ে Nsave এ নিতে হবে এবং এরপর ব্যাংকে নিবেন। তাহলে আপনি Nsave এ কিন্তু USD ডলার পাচ্ছে, নাকি কোনো ক্রিপ্টোকারেন্সি অথবা stablecoin নিতেছেন। আর ২য় পদ্ধতিতে তেমন একটা ফি নেই, কিন্তু যেহেতু stablecoin জমা করতেছেন তাই সমস্যায় পরার সম্ভাবনা থেকেই যায়।
আবার ব্যাংক এর ক্ষেত্রে সব জায়গায় এটিএম থাকে না যাতায়াত খরচ এক্সট্রা লাগে টাকা উঠাতে।
এইজন্য আপানকে চিন্তাভাবনা করে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে। কারণ সব ব্যাংক সব এলাকার জন্য নাহ, কারণ তারা নিজেদের এটিএম সেখানেই দিবে যেখানে লেনদেন বেশি হয়। আর বর্তমানে DBBL এর সব উপজেলায় ব্যাংক এবং এটিএম আছে, চাইলে ওটা ব্যবহার করতে পারেন। কারণ তারা এখন Visa Card দেওয়া শুরু করেছে, যেটা আগে দিতো নাহ, যেকোনো সাধারণ ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডারদের।
এটাও বিষয় না যদি Nsave এর মাধমে লিগাল রাস্তায় টাকা আনা যায় যদি ৭৬২৫৮ এর জায়গায় ৫০০টাকা কমও পাই আমার সমস্যা নাই।
এখন আমাকে একটু Nsave এর হিসাব করে দিলে ভালো হত, প্রতি মাসে ৬০০ডলার.
NSave এ দুইটা অপশন আছে, এখন এটা নির্ভর করে যে আপনি কোনটা ব্যবহার করে ব্যাংকে টাকাটা আনবেন। যাইহোক দুইটা বিষয়ই নিচে তুলে ধরলাম।
০১) Swift পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে আপনাকে ২৫ ডলার ফি দিতে হবে এবং আপনি দুইবার নামাইলে আপনার মোট ৫০ ডলার ফি দিতেই চলে যাবে। এখন যদি বর্তমান USD এর মূল্য Nsave এ দেখি, সেটা হচ্ছে ১২২.৭৪ টাকা করে। এই হিসাবে আপনি ব্যাংকে পাবেন ৬৭,৫০৮.৫৯ টাকা এবং প্রণোদনা হিসবে পাবেন ১,৬৮৭.৭১ টাকা। তাহলে আপনার হাতে মোট ৬৯,১৯৬.৩০ টাকা
০২) USDC পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে কোনো ফি নেই, তাই আপনি ৬০০ ডলারই ব্যাংকে নামাতে পারবেন। আর ডলার মূল্য অনুযায়ী ব্যাংকে প্রথমে ৭৩,৬৪৫.৭৩ টাকা পাবেন এবং প্রণোদনা পাবেন ১,৮৪১.১৪ টাকার। তাহলে আপনার হাতে আসবে মোটে ৭৫,৪৮৬.৮৭ টাকা।
যেহেতু p2p তে এমনিতেই ডলারের মূল্য বেশি থাকে, তাই ওমন কখনোই পাবেন নাহ। কিন্তু ওটার কাছাকাছি পাওয়া যায় এবং বৈধভাবে পাইতেছে আপনার ব্যাংকে টাকাটা। বাকি আপনাদের যেটা ভালো লাগে, সেটা ব্যবহার করুন এবং সর্তক থাকুন।
দুইদলই বলা যায়, কারণ ব্যাংকের সহায়তা ছাড়া তো পুলিশ চাইলেই কারো লেনদেন সম্পর্কে জানতে পারবে নাহ। কিন্তু পুলিশই এসবের পেছনের মূল নেতা, কারণ তারাই তাদের নিশানায় রাখে যারা বেশি পরিমাণে লেনদেন করে এবং হুট করে এলাকার বড়লোক হয়ে যায়।
কীভাবে জানতে পারলো? - এই প্রশ্নের উত্তর তো সহজ। কারণ আপনি পুলিশের কেউ হইলে, আপনাকে শুধুমাত্র P2P তে ব্যাংক ব্যবহার করে একটা লেনদেন করতে হবে এবং আপনি জানতে পারবেন যে, কে আপনাকে টাকা পাঠাইলো। বাকিটা কি বলতে হবে?

পুলিশের কাছে ধরা খাইলে তো, সেখানে খেলা শেষ। কিন্তু এটা তাদের এজেন্টরা করে এবং আপনি যদি মাসে ২০-৫০ লাখের বেশি লেনদেন করেন। তাহলেই আপনি ওদের নজরে পড়বেন, বাকি যারা কম লেনদেন করেন তাদের কোনো চিন্তার কিছু নাই।
প্রথমত আমি এতো লেনদেন করি না। তবে কিছু লেনদেন তো করেই থাকি। যে কারণে এসব ব্যাপারে আপডেট থাকা ভালো বলে মনে করি।
পুলিশের কেউ বাইনান্সে লেনদেন করলে সহজে ধরতে পারবে এটা ঠিক। কিন্তু এটা এভয়েড করার সিস্টেম হলো নতুন একাউন্টের সাথে লেনদেন না করা। যেসব একাউন্ট মাসে কয়েকশো লেনদেন কপ্লিট করেছে, কেবল মাত্র তাদের সাথে লেনদেন করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এখন এইসব লোক যদি আবার পুলিশের এজেন্ট হয়, তাইলে তো আসলে কিছু করার থাকবে না। সেই ক্ষেত্রে ধরা খেয়ে যেতে হবে। তবে ঐযে বললেন, যারা কম লেনদেন করে, তাদের এসব ব্যাপারে টেনশন নাই তেমন। মাসে ২০ লাখ লেনদেন কিন্তু অনেক টাকা। কোন বিজনেস ছাড়া ২০ লাখ অনেক কিছু। তবে আজকাল বিকাশের দোকানদার আর ব্যাবসায়ীরা তাদের ব্যাবসায়ীক একাউন্ট থেকে লেনদেন করে। বিকাশের দোকানদাররা এখন পিটুপি বিজনেস করে।
জানি নাহ, আপনি আমার দেওয়া ইশারাটা বুঝেছেন কি নাহ। কারণ আপনি যেটা বুদ্ধিমানের কাজের কথা বললেন, সেটাই যদি পুলিশ করে থাকে। তাহলে তো যার কাছে বিক্রি করলো, তার তথ্য এবং তার সাথে যারা আগে লেনদেন করেছে তাদের তথ্য তো বের করতে সময় লাগবে নাহ। আশা করি, এবার পুরোপুরি বুঝতে পেরেছেন, আমি এর থেকে আর বেশি বললে ফ্রিতে পুলিশকে বুদ্ধি দেওয়া হয়ে যাবে।

বিকাশ/নগদের দোকানদাররা ওমনটা করবেই। কারণ তারা এখন বিকাশ/নগদের দেওয়া লেনদেনের পরিমাণ যদি সম্পন্ন নাহ করে, তাহলে তাদের ব্যবসায়িক একাউন্ট নাকি বন্ধ করে দেয়। এখন p2p তে আসলে তাদের ওই লক্ষ্যও পূরণ হয় এবং বেশি লেনদেনের কারণে তাদের ইনকামও বেড়ে যায়।
যদি সেটা remmitance হিসাবে আপনার নগদ কিংবা বিকাশে আসে, তাহলে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু p2p অথবা সহজ হিসাবে হুন্ডি হিসাবে আসে, যে উনি ওখানের কোন agent কে ওই দেশের অর্ধ দিল এবং ওই agent প্রবাসে অর্থ পাওয়ার পর বাংলাদেশে থাকা লোকাল agent কে বললো আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা দিতে। এভাবে যদি শুধু cash in হয়, তাহলে আপনার সমস্যা হইতে পারে। কারণ ওটা remmitance হিসাবে আসে নাহ।
ভাই রেমিট্যান্স হিসেবে আসে না তো, সরাসরি এমনে অন্যান্য সাধারণ লেনদেনে যে মেসেজ আসে সেভাবেই এসে কাউন্ট হয়। আমি হুন্ডি বুঝি না, এটাই হুন্ডি নাকী? আমার ফোনে দীর্ঘ ১.৫ বছর ধরেই এমনে লেনদেন হয়, মাসে ৫০-৮০ হাজার লেনদেন হয় আরকী। যাই হোক, যদি এই ওয়েই হুন্ডি হয় তাহলে আর আমার একাউন্টে কোন টাকা পাঠাতে না করে দিবো, অযথা বিপদে পড়তে চাই না।
বিকাশ কিংবা নগদে যদি রেমিট্যান্স হিসেবে টাকা আসে, তাহলে সেটা Remmitance Received এমন লেখা হিসাবে দেখায় মনে হয়, নইলে ওটা সাধারণত স্বাভাবিক লেনদেন মানে অন্য কেউ আপনার নাম্বারে টাকা পাঠিয়েছে। আর উপরের agent এর যে কাহিনী বললাম, সেই মূলত পাঠিয়েছে। আর এটাই হুন্ডি এবং এটা বৈধ নাহ।
কারণ আমি নিজে নিজের DBBL ব্যাংকে টাকা নিতে যেয়ে মারা খাইছি। এক তো চোরের দল Bkash টাকা পাঠানোর সময় ৮.৫ টাকা কাটছে প্রতি হাজারের হিসাবে, এরপর যখন আমার DBBL ব্যাংকে টাকা ধুকছে, তখন ব্যাংক আবার সাথে সাথে ২৩% ফি ভ্যাট হিসাবে কাটছে।
তাইলে লাভ কী হলো" খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি" এমনেই তো প্রিয় এজেন্ট এড করে নিলে হাজারে ১৩.৯৫ টাকা খরচ যায়, এতাই ভালো। ক্রিপ্টোকারেন্সি আমাদের দেশে অবৈধ তবুও p2p মাধ্যমে সহজেই নগদ বিকাশে টাকা আনতেছি এটাই তো বড় কিছু, যাকনা হাজারে ১৪ টাকা।
ওইজন্যই তো mfs ব্যবহার করি নাহ। আর প্রিয় এজেন্ট দরকারই নাই, কারণ ব্যাংকে টাকা তুলতে কোনো টাকা লাগে নাহ।

এখন মানুষ বিশেষ করে বাংলাদেশের ৪০% মানুষ বিটকয়েনের নামটা আপাতত জানে এবং অনেক মানুষই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বিটকয়েনের ইনকামের সাথে জড়িত। তাই বাংলাদেশ সরকার এই বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।
এটা অতিরিক্ত হয়ে গেল না? যদি ৪০% মানুষ বিটকয়েন সম্পর্কে জানে তাহলে ৭ কোটির বেশি মানুষের বিটকয়েন সম্পর্কে জানতে হবে। আমার মনে হয় না যে বাংলাদেশের ৪০% মানুষ বিটকয়েন সম্পর্কে জানে বা নাম শুনেছে। কয়েকদিন আগে একটি নিউজ শেয়ার করেছিলাম যেখানে বাংলাদেশের ৪০ লাখ মানুষ ক্রিপ্টো লেনদেন করার তথ্য রয়েছে, এটি বাংলাদেশের জনসংখ্যার ২.৪% এর মতো ছিলো।
ওনার কথা একদিক থেকে সত্য যে, বাংলাদেশের ৪০% মানুষ বিটকয়েন কি জানে। কিন্তু তারা সবাই এটা ব্যবহার করে নাহ।

তবে এটা সত্য যে, বর্তমানে বাংলাদেশের যত ছাত্রছাত্রী আছে তাদের ৪০% বিটকয়েন সম্পর্কে জানে এবং ব্যবহার করে। বিশেষ করে Hamster Kombat এর পরে তো সবাই একটু হইলেও জেনেছে।

পুলিশের কাছে ধরা খাইলে তো, সেখানে খেলা শেষ। কিন্তু এটা তাদের এজেন্টরা করে এবং আপনি যদি মাসে ২০-৫০ লাখের বেশি লেনদেন করেন। তাহলেই আপনি ওদের নজরে পড়বেন, বাকি যারা কম লেনদেন করেন তাদের কোনো চিন্তার কিছু নাই।
ভাই ১৫-২০ লাখ আল্লাহ এত টাকা, আমি মাসে ১৫-১৬ হাজারের বেশি লেনদেন করি না, যেখানে পুলিশের ধরবো বলে চিন্তা করতেছি। আর আমিও এখন পর্যন্ত কাউকে দেখি নাই যে জুয়া খেলার জন্য বা অবৈধ লেনদেন করার জন্য কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। যদি তাই হতো তাহলে আমাদের এলাকার প্রায় ৭০% পোলাপন অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। দেশে জুয়ার প্রতি এত বিধি নিষেধ দেওয়া রয়েছে তবুও কিন্তু লোকেরা জুয়া খেলা বাদ দেয় নাই, আমরা যারা পিটুপি করি আমাদের চেয়ে জুয়ারীদের আগে ধরা উচিত।
প্রায় ২ আড়াই বছর ধরে টুকটাক লেনদেন করতেছি কিন্তু এখন পর্যন্ত আল্লাহ কোন ভেজালে ফালাই নাই, তাই ভবিষ্যতেও কোন ভেজালে পড়ব না ইনশাআল্লাহ।
আপনি আমি হয়তো ওতো লেনদেন করি নাহ, কিন্তু অনেকে আছে যারা প্রতিমাসে ওমন পরিমাণ কিংবা এর বেশি করে। যারা প্রতিদিন p2p তে লেনদেন করে, তাদের তো আরো বেশি হয়ে থাকে।
জুয়ারীদের হিসাবই আলাদা, কারণ সব এলাকায় অনেক ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে বুড়া সবাই এখন জুয়া খেলে। আগে এটা ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু গত কিছু মাসে এটা প্রান্তিক পর্যায়ে চলে গিয়েছে।
তাদের কাস্টমার ডাটা এক্সপোজ হয়ে গিয়েছে
OmegaStarScream এর টপিক থেকে জানতে পারলাম Trezor যে থার্ড পার্টি শিপিং প্রোভাইডার(ShipMonk) ব্যবহার করত তাদের থেকে এই ডাটা ব্রিচটি হয়েছে।
এখনো পর্যন্ত কয়েনডেক্স এর রিপোর্ট অনুযায়ী 14,000 কাস্টমার এর ডাটা লিক হয়ে গিয়েছে।মানে ১৪০০০ কাস্টমার
যারা Trezor থেকে হার্ডওয়ার ওয়ালেট অর্ডার করেছিলেন তাদের পুরো নাম, ফোন নম্বর, ইমেল ঠিকানা এবং শিপিং ঠিকানা সহ লিক হয়ে গিয়েছে। কি ভয়ঙ্কর ঘটনা!!!তবে এই ঘটনার একটা পজিটিভ দিক হিসেবে যা আমরা জানতে পারলাম সেটা হচ্ছে Trezor কোম্পানি ঘোষণা দিয়েছে যে তারা অ্যানোনিমাস ডেলিভারি অপশন চালু করতে যাচ্ছে সেটা সম্ভবত সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইউরোপে চালু হয়ে যাবে এবং বছরের শেষের দিকে আমেরিকায়। কিন্তু গ্লোবাল ডেলিভারি সম্পর্কে কোন অ্যানাউন্সমেন্ট আসেনি।
এটা নতুন কিছু নাহ, এর আগেও এমন হয়েছিলো। আর তাদের ওয়ালেটের কোনো কিছু হয়নি। এটা শুধু মাত্র Data Breach নিয়ে একটা ঘটনা মাত্র।
যাইহোক কমিউনিটির সবার কাছে আমার একটা প্রশ্ন যে আপনারা কেউ কি হার্ডওয়ার ওয়ালেট ব্যবহার করেন? আর করে থাকলেও সরাসরি অফিশিয়াল প্রোভাইডার থেকে কি অর্ডার করেছেন? নাকি থার্ড পার্টি হয়ে এনেছেন?
আমি আসলে জানতে চাচ্ছিলাম যে Trezor অথবা ledger এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে বাংলাদেশে হার্ডওয়ার ওয়ালেট অর্ডার করে নিয়ে আসা যায় কিনা।
আমি এই নিয়ে ২বার Safepal এর হার্ডওয়ার ওয়ালেট এনেছি এবং সর্বশেষ এনেছি গত বছরের শেষ সময়ে। সর্বশেষ অর্ডারটা তারা DHL এর মাধ্যমে দিয়ে পাঠায় এবং আমার ১২ হাজার টাকা মারা যায়, কারণ বাংলাদেশ কাস্টমসের নিয়ম অনুযায়ী নাকি Lithium battery আনলে নাকি ১২ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। যাইহোক আপনি যদি নিতে চান, তাহলে বাহিরের পরিচিত কাউকে দিয়ে আনিয়ে নেন, নইলে আমার মতো মারা খাবেন। কিংবা যদি ওসব কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করে বলেন যে, আপনার অর্ডারটা Gift হিসেবে পাঠাতে। তাহলে নাকি কাস্টমসে কোনো ফি নিবে নাহ, এমন শুনছিলাম এক ভাইয়ের কাছ থেকে।
২০২৪ সালের সময় নাকি যারা Trezor কিংবা Ledger কিনছিলো, তাদের প্রোডাক্ট কাস্টমসে আসার পর হয়রানির শিকার হইতে হইছিলো। বিশেষ করে পুলিশ নাকি ক্রিপ্টোর সাথে অবৈধ লেনদেন করার জন্য জেলে দিবে বলে ভয় দেখিয়েছে এবং অনেককে কাস্টমস অফিসে ডেকে ছিলো। সেখান থেকে নাকি পুলিশ তাদেরকে জেলে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। যাইহোক বাংলাদেশে থেকে সরাসরি এসব অর্ডার নাহ করাই ভালো এবং পারলে বাহিরের দেশ হইয়ে আনেন কারো মাধ্যমে।