NPSB এর পূর্ণ ফরম হইলো National Payment Switch Bangladesh এবং এটা বাংলাদেশ ব্যাংক চালু করেছে টাকার লেনদেনের জন্য। আপনাকে যদি DeFi ব্যবহারকারীদের মতো বুঝাই, তাহলে বাংলাদেশের ব্যাংক কিংবা MFS কিংবা বিভিন্ন লেনদেনের মাধ্যম আছে, সেগুলোকে একেকটা Blockchain যেমন ইথিরিয়াম, সোলানা ইত্যাদি ধরেন, তাহলে NPSB হইলো সেই Bridge যেটা আপনাকে একটা blockchain থেকে অন্য আরেকটা Blockchain এ ফান্ড পাঠাতে সহায়তা করে। আর এটা করে থাকে মূলত এক ব্যাংক থেকে অন্য একটা ব্যাংকে, একটা MFS থেকে আরেকটা MFS এ কিংবা যেকোনো একটা লেনদেনের মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে। যদিও এটা শুরু থেকে ব্যাংকগুলোর মধ্যে লেনদেনের মধ্যে বেশি জনপ্রিয় ছিলো। এখন যেহেতু এটি MFS এবং অন্যান্য লেনদেন মাধ্যমে এটার বিস্তার হইতেছে, তাই বিষয়টা সবার নজরে আসতেছে।
আমি নিজেও Bangla QR নিয়ে অনেক কথা বলেছি, নিজের বন্ধুবান্ধবদের সাথে যে, বাংলাদেশের আমলাগুলো কোন ধরনের হুতিয়া। কারণ বাহিরের দেশগুলো তাদের যেসব QR সিস্টেম আছে, সেখানে merchant দের টাকা তোলার ক্ষেত্রে কোনো ফি নেয় নাহ। সেইখানে বাংলাদেশের Bangla QR এর merchant দেরকে প্রতি হাজারে ১% + ভ্যাট দিতে হবে যতটুকু শুনেছি। অনেক দেশে এমন ১% এর ফি নেয়, কিন্তু সেটার জন্য একটা লেনদেনর সীমা আছে। যেমন আপনি যদি ১ লক্ষ কিংবা ৫ লক্ষের উপরে যখন ক্যাশ করতে যাবেন, তখন এমন ফি নিয়ে থাকে। আর এর নিচে কোনো ফি নেয় নাহ, কারণ সেই সেদেশের সরকার চায় যে, তাদের mircro-business গুলো যেন আরো বাড়ে। এখন আপনি ভাবেন যে, টঙ্গের দোকানে যে আমরা ৫০ টাকা কিংবা ১০০ টাকার কোনো কিছু খাবার ২-৩জন মিলে খাইলাম, সেখানে ওই দোকানি লাভই কত হয়? এখন যদি ওই দোকানিকে ১০০০ টাকা তুলতে যদি ১০ টাকা ফি দিতে লাগে, তাহলে দিন শেষে তো তার লাভ হবেই নাহ। এমন যদি হয়, তাহলে ওই দোকানি কি আর Bangla QR রাখবে?
ভাই আপনি কি রিয়েল লাইফে কোনো স্কুল-কলেজ, ভার্সিটির টিচার নাকি? আপনার এক্সপ্লেনেশন গুলো খুবই ভালো লাগে। একেবারে হাতে কলমে খাওযায় দেন সবকিছু।
বুঝতে পারলাম আই গেস, অনেকটা gateway এর মতো। একটার সাথে আরেকটা লিংক করে রাখে।
আমি ভাই এই Bangla QR এর বিপক্ষে টোটালি। টংয়ের দোকানের যেই উদাহরণ দিলেই সেটা আসলেই যুক্তিসংগত। বিন্দিয়ায় সবখানে UPI চলে, এতো এতোদিন ভাবতাম এসব micro transactions গুলো ক্যাশে করলেই তো পারে। হুদাই অনলাইনে নিয়ে ফি দিতে যাবে কেনো। বাট এখন দেখি চিত্রটা ভিন্ন।
এদিকে যুবদলের নয়ন গ্রামে এসে দুইটা মোবাইল ফুল চার্জ করেছে, কিন্তু তার কাছে কোন লোডশেডিং মনে হয় নাই। তেল মারার একটা সীমা থাকা দরকার, কিন্তু কিছু কিছু নেতারা এতটাই তেল মারে যার কারণে দেশে জ্বালানি সংকট পড়ে যায়।

ফাইনালি আমাদের লোকাল থ্রেডের 700 পেজ পুর্ন হয়েছে।

এই সালারে তো দেখলেই মুখ দিয়ে গালি বের হয়! এই একটা, ইসরাক একটা, আরেকটার নাম মনে পড়তেছেনা (চশমা পরে, নিজেরে ইলন মাস্ক/স্টিভ জবস মনে করে, সম্ভবতো ছাত্রদলের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে)। এই তিনোডা বিশ্ব মাদারবোর্ড, বাইনটোস্ট, পা চাটা চ্যামচা। এরা মনে হয় দিন রাত ২৪ ঘন্টায় গাজার নেশায় থাকে নয়তো এমন গাইনজুট্টি কথাবার্তা বলতো না।
৭০০ পেজ পূরণ হওয়া আহামরি কিছু না। রেপুটেশন বাড়ছে কিনা সেটা মেইন। দিন দিন পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আর নাইজেরিয়ান বোর্ডের যে গুনকির্তন চলতেছে তাতে গর্ত করে মাটির নিয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায় দেখি না। iykyk