আমার কাছে একাধিক এড্রেস হ্যান্ডেল করা প্যারা লাগে ভাই। আমি জন্মের পর থেকে সেই সেইম এড্রেসই ব্যবহার করে আসতেছি। বিষয়টা একটু সারকাস্টিক টোনে বল্লাম বাট এটাই রিয়েলিটি। ইভেন আমি সেকেন্ড এড্রেসও ইউজ করিনা। অনেকে হয়তো এড্রেস A - এড্রেস B - তারপর সেন্ট্রালাইজ এক্সচেঞ্জে পার করে। বাট আমি অলওয়েজ প্রাইমারি এড্রেস টু এক্সচেঞ্জে পার করি। যত তত পেমেন্ট আছে সবই ঐ সেইম জায়গাতেই জমা হয়। বারবার সেইম এড্রেস ব্যবহার করলে প্রাইভেসির হোগামারা হয়ে যায়, জানি, বাট তারপরও করি। আমি আসলে অলস কিসিমের মানুষ। আবার নতুন এড্রেস, নতুন সিডফ্রেস, নতুন ব্যাকআপ, কি এক জ্বালা।
আমার ধারণা আপনি একা এটা করেন না, ফোরামের প্রায় বেশিরভাগ মানুষ এভাবেই ব্যাবহার করে। অনেকে তো সরাসরি এক্সচেঞ্জ এর এড্রেস ব্যাবহার করে, যেটা আসলে খুবই রিস্কি কারবার। এটা করলে আজকে বা কালকে যদি এক্সচেঞ্জ আপনার একাউন্ট ফ্ল্যাগ করে বলে সোর্স অফ ফান্ড এর প্রুফ দিতে, তখন ধরা খেয়ে যাবেন। যদিও সেইফ থাকার জন্য এড্রেস A থেকে এড্রেস B তে নেয়া সবচাইতে ভালো প্র্যাকটিস, তবে মিক্সার রিলেটেড পেমেন্ট না থাকলে একটা এড্রেসে রিসিভ করে তারপর এক্সচেঞ্জ এ সেন্ড করলেও তেমন সমস্যা সাধারণত হয় না। এভাবেই অনেকে ব্যাবহার করে আসছে।
ফোরাম মেম্বারদের সাথে আগে টুকিটাকি লেনদেন করতাম, তবে এখন আর কারো সাথে লেনদেন করি না। কারণ কোথা থেকে কখন কি বের হয়ে আসবে, আর কে মারা খেয়ে যাবে কেউ জানি না। তারপর সেই লেনদেন ধরে একে একে সবাইরে ট্যাগাইতে থাকবে। আর আমার সাথে ব্যাক্তিগত ভাবে অনেকের ঝামেলা আছে, যত চাই ঝামেলা কমাইতে, ঝামেলা খালি বাড়তে থাকে। এখন মডারেটর অব্দি আমার সাথে লেগে গেছে। যদিও আমি এটা পারসোনালি নেই নাই।
ভাই এতো ছোট ছোট এমাউন্টের জন্যও যে ব্লক করে দেয় এটা আমি জানতাম না। আমি বেশ কয়েকটা AML চেকার দিয়ে আমার এড্রেস চেক করাইছি, এন্ড বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, ৫-১০% এর নিচে কিছু questionable সোর্স থাকে (লাইক unlicensed, pools, mixers, casino ইত্যাদি)। আর বাকি ৮৫-৯০%, নো প্রোবলেম (licensed CEX ইত্যাদি)। এখন এই সামান্য পার্সেনটেজের জন্য, মিডিয়াম রিস্কের কাতারে বসায় দেয়। অবিয়াসলি, ১০০ জনের মধ্যে ৫-৭ জন দুষ্টু গরু থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক।
CL, এন্ড BD, এর কথা শুনে একটু অবাক হলাম আমি। আমরা এমন না যে হাজার হাজার লাখ লাখ ডলার ট্রানজেকশনের ইউজার। যে সামান্য ৫০-১০০ ডলার পেমেন্ট ঢোকে তার উপরও রেসট্রিকশন খাওয়া ব্যাপারটা কেমন জানি দেখায় না? মিক্সার, ম্যানি লন্ডারিং এসব কথা যখন ইউজ করি তখন লাখ লাখ ডলারের কথা মাথায় ঘুরপাক খায়। কোথায় ৫-১০ টাকার কয়েন আর কোথায় ১০০০ টাকার কচকচা নোট। রেফারেন্স হয়তো বুঝছেন।
লেনদেনের বিষয়ে বল্লে আমি নিজেও এটা নিয়ে হেজিটেন্ট। তাই সকল প্রকার লেনদেন থেকে বাহিরে আমি, হোক সেটা টাকা পয়সা বা ফোরামেও কোনো কিছু। আর যদি করেও থাকি, তাহলে ভালোভাবে ডকুমেন্ট করে থ্রেড খুলে করি। নয়তো ১ বছর পর আইসা বলবে এটা তো তোমারই একাউন্ট, এই ধরো রেড ট্যাগ। আর ততদিনে আমার মনেও থাকবেনা, এই লেনদেন আসলে কার সাথে ঘটছিলো।
ঝামেলার বিষয়টা আমি দেখছি। জোর যার মুল্লুক তার টাইপ সিচুয়েশন পুরাই।
এটার সলিউশন আসলে আমিও প্রপারলি জানিনা এখন তো আমি ডিসেন্ট্রালাইজ ওয়ালেটে টাকা ডিপোজিট করি এবং সেখান থেকে সেন্ট্রালাইস ওয়ালেটে নেই। তারপর সেখান থেকে সেল দিয়ে থাকি।
তবে কে জানে কোন দিন আবার আমার এই একাউন্টও ফ্রিজ হয়ে যায়।
আমি এইখানে মেইন একটা সেন্ট্রালাইজ এক্সচেঞ্জার ব্যবহার করি সেটা হচ্ছে বাইনান্স আর বাকিগুলা হচ্ছে এমনি ইউজ করার জন্য যেখানে সিগনেচার পেমেন্ট পাঠাই, আর সকল এক্সপেরিমেন্টাল বিষয় যত আছে ওইসব cex অ্যাকাউন্ট দিয়ে করে থাকি। এতে করে মেইন যে একটা সেটার ঝুঁকি কমে যায়।
ভাই ক্রিপ্টো লাইব্রেরি ভাইয়ের মতো একই কৌশলে আমিও মারা খেয়েছি। আমিও ট্রানজেকশন ফি বাচাতে গিয়ে বাংলাদেশী টাকায় ২০k প্লাস মারা খাওয়া হয়ে গেছে। আমার এক্সচেঞ্জে সব হয় শুধু উইথড্র দিতে পারি না।
আপনাদের দুই জনের জন্য দুই বালতি সমবেদনা। এতো বড় মারা খাইলেন। আপনাদের দুই জনের অসিলায় আমরা বাকিরা কিছু শিখতে পারলাম। লোভে পাপ, পাপে টাকা ফ্রিজ।
হেই মিয়া আপনি কাউকে ব্লু ওয়ালেট নিয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন, এটা কি ইলেক্ট্রাম ওয়ালেটের মতোই নাকি,? ব্যবহার করেন নাকী কেউ?
ইউজ করতাম, আপাতত করতেছিনা। ডিফারেন্স যদি বলি ব্লু ওয়ালেট, কেক ওয়ালেট এগুলো মর্ডান কিসিমের। আর একেকটাই এক এক রকম ফিচারস, কোনোটাই LN সাপোর্ট করে, আবার কোনো টা প্রাইভেসি কেন্দ্রিক (Silent Payment) ইত্যাদি।